Kaler Patrika
ঢাকা,
|
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
YouTube
Fcaebook
Kaler Patrika
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
Kaler Patrika
No Result
View All Result

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে যে কৌশলে সাফল্য পেল ভারত

এম জহির মাহমুদbyএম জহির মাহমুদ
October 6, 2026- 1:28 am
in আন্তর্জাতিক, লিড নিউজ
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ

গত কয়েক সপ্তাহেই ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বাঘের হামলা, চিতাবাঘের আক্রমণ এবং হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে এমন দুর্ঘটনা এখন এত ঘন ঘন ঘটে যে সেগুলোকে অনেক সময় রাষ্ট্রের ব্যর্থতার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়।

সেতু ভেঙে পড়া বা পদদলিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনাও একই ধরনের।

কিন্তু বন্যপ্রাণীর সঙ্গে মানুষের এই সংঘাতের পেছনে ভারতের একটি সাফল্যও আছে। মানুষ বন্যপ্রাণীর মুখোমুখি হচ্ছে বেশি, কারণ ভারত তাদের রক্ষায় বেশ সফল হয়েছে।

বাঘের কথাই ধরা যাক।

১৯৭০-এর দশকে ভারতের জাতীয় প্রাণী হিসেবে পরিচিত এই বড় বিড়ালটির বিলুপ্তির আশঙ্কা ছিল। এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। গত দুই দশকে ভারতে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়ে প্রায় ৩ হাজার ৭০০ হয়েছে। এ সময় এশিয়ার অপেক্ষাকৃত ধনী ও কম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ মালয়েশিয়ার মতো জায়গায় বাঘের সংখ্যা কমেছে।

ভারতের সাফল্য এতটাই উল্লেখযোগ্য যে, যেখানে বাঘ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল, সেই কম্বোডিয়ায়ও বাঘ পাঠাতে রাজি হয়েছে দেশটি।

ভারতের বাঘ সংরক্ষণ কর্মসূচি, ‘প্রজেক্ট টাইগার’, তাই বড় ধরনের সাফল্য হিসেবে দেখা যায়।

এটি অবশ্য একমাত্র উদাহরণ নয়। কয়েক বছর আগে পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে এশীয় সিংহের বাড়তে থাকা সংখ্যা সামলাতে নতুন সংরক্ষণ এলাকা তৈরি করা হয়। পূর্বাঞ্চলীয় আসামের মুখ্যমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, আগের বছরে রাজ্যটিতে বাড়তে থাকা গন্ডারের শিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এই সাফল্য আরও উচ্চাভিলাষী উদ্যোগের পথ খুলেছে। ২০২২ সাল থেকে ভারত আফ্রিকা থেকে চিতা আনছে। লক্ষ্য, ১৯৫২ সালে ভারতে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রাণীটিকে আবার দেশে প্রতিষ্ঠিত করা।

ভারতে বন্যপ্রাণী রক্ষার পেছনে জনমতেরও বড় ভূমিকা আছে। হিন্দুদের কাছে অনেক বন্য ও গৃহপালিত প্রাণী শ্রদ্ধার। বৃহত্তর ভারতীয় সমাজেও প্রাণী হত্যা বা নির্যাতন ভালো চোখে দেখা হয় না। এশিয়ার সবচেয়ে কঠোর প্রাণী সুরক্ষা আইনগুলোর কিছু ভারতেই রয়েছে।

সংরক্ষণে প্রাণীদের চেহারাও কিছুটা কাজে আসে। বাঘ, সিংহ বা হাতির মতো আকর্ষণীয় প্রাণীর পক্ষে জনসমর্থন পাওয়া সহজ। কিন্তু ভারতের প্রাণী সংরক্ষণ উদ্যোগ কেবল সুন্দর প্রাণীদের ঘিরে নয়। টাকমাথা, কুঁজো এবং মৃতদেহভোজী শকুনের সংখ্যাও বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্বও বহুদিন ধরে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আগ্রহ দেখিয়েছে।

দুই হাজার বছরেরও বেশি আগে সম্রাট অশোক শিকার নিষিদ্ধ করার পক্ষে নির্দেশ জারি করেছিলেন। আধুনিক ভারতের নেতারাও সেই ধারার অনুসরণ করেছেন। ১৯৭০-এর দশকের বেশির ভাগ সময় প্রধানমন্ত্রী থাকা ইন্দিরা গান্ধী প্রজেক্ট টাইগার শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগ্রহের মধ্যে বন্যপ্রাণীর ছবি তোলাও রয়েছে।

আরেকটি কারণ হলো নীতির ধরন। ভারতের রাষ্ট্রযন্ত্র এমন কিছু কাজে তুলনামূলকভাবে ভালো করে, যেগুলোকে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঘিরে পরিচালিত বিশেষ কর্মসূচিতে ভাগ করা যায়। নীতিনির্ধারণের ভাষায় একে বলা হয় ‘মিশন মোড’—সীমিত ও স্পষ্ট লক্ষ্য, আলাদা দল এবং নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা।

ভারতের জনস্বাস্থ্যের কিছু বড় সাফল্যও এভাবে এসেছে। পোলিও নির্মূল এবং কোভিড-১৯ মহামারির সময় দ্রুত টিকা দেওয়ার কর্মসূচিতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণেও একই মডেল কাজ করেছে। প্রজেক্ট টাইগারের পর এসেছে প্রজেক্ট এলিফ্যান্ট, প্রজেক্ট স্নো লেপার্ড, প্রজেক্ট ডলফিন ও প্রজেক্ট রাইনো।

এই কাজকে সহায়তা করছে দুটি ধরনের প্রতিষ্ঠান। একটি হলো বন্যপ্রাণী ও বন সংরক্ষণের সরকারি কাঠামো। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার কাঠ সংগ্রহের জন্য ইম্পেরিয়াল ফরেস্ট সার্ভিস তৈরি করেছিল। স্বাধীনতার পর সেই কাঠামোর একটি বড় অংশ বন ও বনভূমির প্রাণী রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।

অন্যটি হলো নাগরিক সমাজ—বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিষয়ক এনজিও, পরিবেশবিদ, বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা। তারা বিশেষজ্ঞ জ্ঞান দেন, আবার রাষ্ট্রের কাজের ওপর নজরও রাখেন।

অবশ্য ভারতের সংরক্ষণ ব্যবস্থা নিখুঁত নয়। বরং বন্যপ্রাণীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে নতুন সমস্যাও তৈরি হয়েছে। মানুষের সঙ্গে প্রাণীর সংঘাত তার সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণগুলোর একটি।

তারপরও তুলনামূলকভাবে দরিদ্র একটি দেশ, যেখানে রাষ্ট্রের সক্ষমতা সীমিত এবং সম্পদের ওপর অসংখ্য দাবি রয়েছে, সেখানে অন্য প্রাণী রক্ষায় মানুষ ও রাজনীতিকদের একসঙ্গে কাজ করা একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ তাই ভারতের রাষ্ট্র পরিচালনার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। একই সঙ্গে এটি দেখায়, আজ যে সমস্যাগুলোকে অমীমাংসিত মনে হয়, সেগুলোর কিছু সমাধান করাও সম্ভব।

যে দেশ একশৃঙ্গ গন্ডার রক্ষায় অর্থ ও প্রশাসনিক সক্ষমতা খুঁজে পেতে পারে, সে দেশ বলতে পারে না যে অর্থের অভাব বা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে দূষিত বায়ু, দমবন্ধ করা নদী কিংবা আবর্জনায় ভরা জমির সমস্যা মোকাবিলা করা অসম্ভব।

আর যদি মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার যুক্তি ভারতের নেতাদের জন্য যথেষ্ট না হয়, তাহলে পরিবেশবাদীরা হয়তো আরেকটি যুক্তি দিতে পারেন: বাঘ ও হাতিরও পরিষ্কার বাতাস ও পানি দরকার।

ShareSend

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

আমার সমর্থনের কারণে নেতানিয়াহুর পরাজয় ঠেকেছে: ট্রাম্প

আমার সমর্থনের কারণে নেতানিয়াহুর পরাজয় ঠেকেছে: ট্রাম্প

অর্ধেক ভোট গণনা শেষে এগিয়ে নেতানিয়াহুর জোট

অর্ধেক ভোট গণনা শেষে এগিয়ে নেতানিয়াহুর জোট

ইসরায়েলে নির্বাচন নেতানিয়াহু বা বিরোধীরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে কী ঘটবে

ইসরাইলের নির্বাচনের ফল ঘোষণা কবে, সামনে কী ঘটতে যাচ্ছে?

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ২৭৭ কোটি ডলারের অনুদান, শীর্ষে ইলন মাস্ক

১১ বছর পর লিবিয়ার আকাশসীমায় আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

সর্বশেষ সংবাদ

ঢাকা টেস্টে নেই, সিলেট টেস্টে ফিরবেন মুশফিক

ঢাকা টেস্টে নেই, সিলেট টেস্টে ফিরবেন মুশফিক

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে স্পেন বিএনপি নেতাদের মতবিনিময়

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে স্পেন বিএনপি নেতাদের মতবিনিময়

ই-টিন থাকলেও আয় নেই, ঘরে বসে অনলাইনে ‘জিরো রিটার্ন’ দাখিল করবেন যেভাবে

ই-টিন থাকলেও আয় নেই, ঘরে বসে অনলাইনে ‘জিরো রিটার্ন’ দাখিল করবেন যেভাবে

আবারও চালু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ফেসবুক পেজ

আবারও চালু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ফেসবুক পেজ

যৌবন ধরে রাখতে ‘রেড লাইট’ থেরাপি নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা

যৌবন ধরে রাখতে ‘রেড লাইট’ থেরাপি নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা

‘গজনি’ অভিনেত্রীর ৭ বছরের মেয়ে বলতে পারে ১২টি ভাষা, ছুঁয়েও দেখে না মোবাইল

‘গজনি’ অভিনেত্রীর ৭ বছরের মেয়ে বলতে পারে ১২টি ভাষা, ছুঁয়েও দেখে না মোবাইল

Load More

Advisor: Md. Tofazzal Hossain
Editor: Md. Sharif Hossain

Office: House 23, Road 01, Sector 12, Uttara, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +88 01716198920, Email: kalerpatrika@gmail.com

Facebook Youtube Linkedin X-twitter Whatsapp

Copyright © 2026 Kaler Patrika, All rights reserved

No Result
View All Result
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস

Press Release: kalerpatrika@gmail.com