
দেশের শেয়ারবাজারে চলমান তারল্য সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ তহবিলের সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।
প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকের জন্য এ তহবিলের সীমা ২০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে তহবিল সুবিধার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের কাছে ডিবিএ প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলামের সই করা একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠির অনুলিপি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খানের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
বর্তমানে প্রতিটি তফসিলি ব্যাংক সর্বোচ্চ ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিশেষ তহবিল গঠন করতে পারে। এ সুবিধার বর্তমান মেয়াদ আগামী ৩০ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা।
ডিবিএ জানায়, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ ও বাজারের উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চালু করা বিশেষ তহবিল ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি বাজারে তারল্য ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা জোরদারে সহায়তা হয়েছে।
সংগঠনটি মনে করে, বর্তমান তারল্য সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এ সুবিধা প্রত্যাহার না করে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। তহবিলের সীমা ও মেয়াদ বাড়ানো হলে শেয়ারবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়বে। পাশাপাশি বাজারের তারল্য ও গভীরতা বাড়ার সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও শক্তিশালী হবে।
চিঠিতে ডিবিএ বিশেষ তহবিলের সীমা ৩০০ কোটি টাকা এবং মেয়াদ ৩০ নভেম্বর ২০৩১ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে। সংগঠনটি আশা প্রকাশ করেছে, শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ডিবিএ আরও জানিয়েছে, শেয়ারবাজারের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় ও সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতেও কাজ করবেন তারা।
এমএমএইচ/বিআরইউ







