প্রকল্পের মাধ্যমে হরি নদী পুনঃখনন করা হচ্ছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার কপালিয়া এলাকায়ছবি
যশোরের ভবদহ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে তিনটি প্রকল্প নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ইতিমধ্যে প্রায় ২৬৮ কোটি টাকার দুটি প্রকল্পের নদী ও খাল পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া নদী দিয়ে জোয়ারের সঙ্গে সাগর থেকে আসা পলি ব্যবস্থাপনার জন্য আরও ২৮০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। পাউবো কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।
তবে ভবদহের জলাবদ্ধতায় ভুক্তভোগী মানুষ ও আন্দোলনরত সংগঠনের নেতারা বলছেন, ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসন করতে হলে নদী খননের সঙ্গে সঙ্গে নদীগুলো দিয়ে পরিকল্পিত উপায়ে জোয়ার–ভাটা টিআরএম (টাইডাল রিভার ম্যানেজমেন্ট বা জোয়ারাধার) চালু করতে হবে। এ ছাড়া স্থায়ী সমাধানের জন্য চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় নদীর উজানে মাথাভাঙ্গা নদীর সঙ্গে ভৈরব নদের পুনঃসংযোগ দিতে হবে। এতে নদী দিয়ে আসা পলি ব্যবস্থাপনা হবে। এলাকার নদীগুলো সচল হলে জলাবদ্ধতার নিরসন হবে।
পাউবো যশোর কার্যালয় সূত্র জানায়, কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পের (২য় পর্যায়) আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ছয়টি নদী পুনঃখননের কাজ করছে। এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৯ কোটি ৯৮ লাখ ১৯ হাজার টাকা।
প্রকল্পের আওতায় অভয়নগরের ভবদহ ২১-ভেন্ট স্লুইসগেট থেকে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাশিমপুর পর্যন্ত হরি নদীর ১৫ কিলোমিটার, উপজেলার কাশিমপুর থেকে কুলবাড়িয়া পর্যন্ত তেলিগাতী নদী ৫ কিলোমিটার, মনিরামপুর উপজেলার বাকোশপোল থেকে কেশবপুর উপজেলার বরেঙ্গা পর্যন্ত হরিহর নদ ৩৫ কিলোমিটার, কেশবপুর উপজেলার বরেঙ্গা থেকে কাশিমপুর পর্যন্ত আপার ভদ্রা নদী ১৮ দশমিক ৫০ কিলোমিটার, অভয়নগর উপজেলার গোঘাটা থেকে ভবদহ ২১-ভেন্ট স্লুইসগেট পর্যন্ত টেকা নদী ৭ কিলোমিটার এবং মনিরামপুর উপজেলার লেহালপুর বাজার এলাকায় ১ কিলোমিটার শ্রী নদী পুনঃখনন করা হচ্ছে।







