
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
মিলন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তা আরও শক্তিশালী করেছেন। ভবিষ্যতে শিক্ষা, প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরও গভীর হবে।
তিনি বলেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষ থেকে দেওয়া উপহার দুই দেশের শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতের সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরকালে শিক্ষা ও অন্যান্য খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক সই করেন। তাঁর ওই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় বেইজিং চুক্তি সই হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতার পরিসর আরও বাড়িয়েছে। শামসুল হক খান স্কুলে এ আয়োজন দুই দেশের বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন।
এসময় মোট ২৮টি ক্যাটাগরিতে আধুনিক সরঞ্জাম ও শিক্ষা উপকরণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে দুটি আধুনিক স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ, ৫০টি ডেস্কটপ কম্পিউটার, শিক্ষার্থীদের জন্য ৪৮ সেট ডেস্ক ও চেয়ার এবং একটি হুয়াওয়ে স্মার্টবোর্ড। এ ছাড়া চার সেট শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, গরম পানির পাত্র, পেনসিল বক্স, নোটবুক ও বিভিন্ন খেলাধুলার সামগ্রী দেওয়া হয়।
চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি এসব উপহার দিয়েছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে ডিজিটাল শিক্ষা, চীনা ভাষা শিক্ষা ও প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদান কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।







