
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের ঐতিহাসিক
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের ঐতিহাসিক আল-আকসা মসজিদ চত্বরে গত আগস্ট মাসে ৫ হাজার ২০৯ জন ইসরাইলি দখলদার জোরপূর্বক প্রবেশ করেছে। জেরুজালেম গভর্নরেটের মঙ্গলবারের (০১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
একই সময়ে ইসরাইলি বাহিনীর আগ্রাসনে দুজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং পাঁচ শিশুসহ ১১৪ জন আটক হয়েছেন। এক সংবাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি পুলিশের প্রত্যক্ষ সুরক্ষায় পুরো আগস্ট মাসজুড়েই আল-আকসা চত্বরে ও এর গেটের আশপাশে দখলদারদের হানা এবং ইহুদি ধর্মীয় আচার পালনের ঘটনা অব্যাহত ছিল। এর মধ্যে গত ১৩ আগস্ট একদিনেই রেকর্ড সংখ্যক ৭৫১ জন দখলদার সাইটটিতে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি নাগরিকদের আল-আকসায় প্রবেশে বাধা দিতে পাঁচটি নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
সামরিক দমনপীড়নের অংশ হিসেবে এই সময়টায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো বিভিন্ন হামলায় দুজন নিহত ও ৮৩ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ফিলিস্তিনি ও তাদের সম্পত্তির ওপর দখলদারদের ৪৪টি হামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। জেরুজালেমজুড়ে বাড়িঘর ও সম্পদ ধ্বংসের ৪০টি অভিযান চালানোর পাশাপাশি ৮৬টি ভাঙচুর বা কাজ বন্ধের নোটিশ জারি করেছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, আল-আকসা মসজিদ চত্বরসহ অধিকৃত জেরুজালেমকে ইহুদীকরণ এবং এর আরব ও ইসলামিক পরিচয় মুছে ফেলার জন্যই এসব চক্রান্ত চলছে। ফিলিস্তিনিরা তাদের প্রস্তাবিত স্বাধীন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে পূর্ব জেরুজালেমকে বহুদিন যাবত দাবি করে আসছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকেই জেরুজালেমসহ অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন শহর ও শরণার্থী শিবিরে নিয়মিত সামরিক অভিযান, গ্রেফতার এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা আগের তুলনায় বহুগুণ বেড়ে গেছে।
চত্বরে গত আগস্ট মাসে ৫ হাজার ২০৯ জন ইসরাইলি দখলদার জোরপূর্বক প্রবেশ করেছে। জেরুজালেম গভর্নরেটের মঙ্গলবারের (০১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত মাসিক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
একই সময়ে ইসরাইলি বাহিনীর আগ্রাসনে দুজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং পাঁচ শিশুসহ ১১৪ জন আটক হয়েছেন। এক সংবাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি পুলিশের প্রত্যক্ষ সুরক্ষায় পুরো আগস্ট মাসজুড়েই আল-আকসা চত্বরে ও এর গেটের আশপাশে দখলদারদের হানা এবং ইহুদি ধর্মীয় আচার পালনের ঘটনা অব্যাহত ছিল। এর মধ্যে গত ১৩ আগস্ট একদিনেই রেকর্ড সংখ্যক ৭৫১ জন দখলদার সাইটটিতে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি নাগরিকদের আল-আকসায় প্রবেশে বাধা দিতে পাঁচটি নিষেধাজ্ঞা জারি করে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
সামরিক দমনপীড়নের অংশ হিসেবে এই সময়টায় ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো বিভিন্ন হামলায় দুজন নিহত ও ৮৩ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ফিলিস্তিনি ও তাদের সম্পত্তির ওপর দখলদারদের ৪৪টি হামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। জেরুজালেমজুড়ে বাড়িঘর ও সম্পদ ধ্বংসের ৪০টি অভিযান চালানোর পাশাপাশি ৮৬টি ভাঙচুর বা কাজ বন্ধের নোটিশ জারি করেছে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, আল-আকসা মসজিদ চত্বরসহ অধিকৃত জেরুজালেমকে ইহুদীকরণ এবং এর আরব ও ইসলামিক পরিচয় মুছে ফেলার জন্যই এসব চক্রান্ত চলছে। ফিলিস্তিনিরা তাদের প্রস্তাবিত স্বাধীন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে পূর্ব জেরুজালেমকে বহুদিন যাবত দাবি করে আসছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকেই জেরুজালেমসহ অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন শহর ও শরণার্থী শিবিরে নিয়মিত সামরিক অভিযান, গ্রেফতার এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা আগের তুলনায় বহুগুণ বেড়ে গেছে।







