
মাছ শিকারে চলমান নিষেধাজ্ঞায় পিরোজপুরের বাজারগুলোতে কমেছে মাছের সরবরাহ। চাহিদার তুলনায় বাজারে শীতকালীন সবজিও কম উঠছে। এ ছাড়া চাল, ডাল, তেল, মাছ, মাংস এবং ডিমসহ বেড়েছে প্রায় সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। ফলে বাড়তি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে স্থানীয় ক্রেতাদের। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিশেষ করে সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সীমিত আয়ের মানুষদের।
বাজার পরিস্থিতির এমন ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমানে পিরোজপুরের অধিকাংশ ক্রেতাদের অভিযোগ, আয় না বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পেছনে বেড়েছে ব্যয়। ফলে সংসারের অন্যান্য খরচ কমিয়ে খাবারের চাহিদা মেটাতে হচ্ছে অনেককে। মাছের বদলে সবজি অথবা সবজির বদলে ডিম কিনে খরচ কমানোর বিকল্প খুঁজেও স্বস্তি মিলছে না তাদের। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বাজার মনিটরিং জোরদার করে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা। আর ব্যবসায়ীদের দাবি, কোনো কোনো সবজির দাম কিছুটা কমলেও শীতকালীন সবজির সরবরাহ কম থাকায় বাজারে এখনো দাম তুলনামূলক বেশি। সরবরাহ বাড়লে ধীরে ধীরে কমবে সবজির দাম।
রোববার (২৫ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চালের দাম বাড়তি রয়েছে। এ ছাড়া গত তিন মাসে তেল, ডিম ও রসুনের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া নদীতে মাছ ধরার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে মাছের সরবরাহ কমেছে বলে দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। আর এ কারণেই ঘেরের মাছের দাম বেড়েছে। বাজারে ফুলকপি, শিম, টমেটো এবং কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন সবজির দামও তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।
বাজার ঘুরে আরও দেখা যায়, প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ২০৪ টাকায়। যা তিন মাস আগে দাম ছিল ১৯৯ টাকা। অর্থাৎ, প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে পাঁচ টাকা। আর ব্যবসায়ীদের দাবি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় চালের দামে কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। তবে গত কয়েক দিন ধরে দাম অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।







