Kaler Patrika
ঢাকা, বিকাল ৫:১৪
শুক্রবার | ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৯শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
গ্রীষ্মকাল
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
YouTube
Fcaebook
Kaler Patrika
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
Kaler Patrika
No Result
View All Result

জলবায়ু পরিবর্তন: কক্সবাজারে সুপেয় পানির সংকট মেটাবে যে প্রকল্প

Md Sharif Hossainbyমো. শরীফ হোসেন
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৫- ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
in জলবায়ু
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেখাচ্ছে প্রকৃতি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব থেকে যেন মুক্তি মিলছে না কক্সবাজারবাসীর। এ কারণে উপকূলীয় জেলাটির খাবার পানির সংকট দিন দিন বেড়েই চলেছে। বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন, লবণাক্ত পানির প্রবাহ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন কারণে এ সংকট তৈরি হচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মনে করেন, এর ফলে বিরূপ প্রভাব পড়ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর।

জেলা শহরসহ ৯ উপজেলার ৭২টি ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকাতেই দ্রুত নিচে নামছে ভূ-গর্ভস্থ সুপেয় পানির স্তর। জেলার সরকারি প্রায় অর্ধলাখ নলকূপের সোয়া এক হাজার অকেজো হয়ে পড়েছে। পানি উঠছে না আরও প্রায় হাজার খানেক নলকূপে। দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়াসহ উপকূল-সমতলে সংকট একই ধরনের। ভোগান্তি রয়েছে উখিয়া-টেকনাফের আশ্রয় ক্যাম্পেও। ‘অনাবৃষ্টি’ ও ‘অতি তাপমাত্রার’ ফলে এ ভোগান্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, গ্রীষ্ম শুরু হতেই পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ টিউবওয়েল থেকে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। শহরে পানি কিনে পানের সুযোগ থাকলেও গ্রামে সুপেয় পানির জন্য নলকূপই ভরসা। নলকূপে পানি না পাওয়ায় গ্রামে অনেকেই পানযোগ্য এক কলসি পানি আনতে দূর দুরান্তে যেতে হয়।

সদরের লিংকরোড়ের আব্দুল করিম জানান, মে মাসের দিকে এক মাসেরও অধিক সময় ধরে নলকূপে পানি পাওয়া যায়নি। এতে আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এ অবস্থায় কক্সবাজার শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পানীয় জল হিসেবে বোতলজাত পানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেখাচ্ছে প্রকৃতি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব থেকে যেন মুক্তি মিলছে না কক্সবাজারবাসীর। জেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট।

তবে, সংকট নিরসনে ‘ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিস অ্যান্ড লাইভলিহুড ফর ডিসপ্লেসড রোহিঙ্গা পিপল অ্যান্ড হোস্ট কমিউনিটিস ইমপ্রুভমেন্ট’ বা ‘বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং স্থানীয় জনসমাজের সমন্বিত সেবা ও জীবন-জীবিকা উন্নয়ন’ নামের প্রকল্পটি গত মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন দিয়েছে।

প্রকল্পটিতে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

কক্সবাজার পৌরসভার জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল বিভাগের মতে, কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য অগভীর নলকূপ অকেজো হয়ে পড়েছে।
জেলায় সুপেয় পানির স্তর প্রতিবছর ১০-১২ ফুট হারে নিচে নামছে। ১০ বছর আগেও শহরের আশপাশের এলাকায় ১২০-১৫০ ফুটের মধ্যে ভূ-গর্ভস্থ সুপেয় পানির স্তর পাওয়া গেলেও এখন ৩০০-৪০০ ফুটের বেশি গভীরে যেতে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে সাগরতীরের কলাতলী এলাকায় পানির স্তর ১০-১৫ ফুট নিচে নেমেছে। ফলে অকেজো হয়েছে এখানকার কয়েকশ আবাসিক হোটেলের অসংখ্য পানির পাম্প।

ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে এমন অবস্থা বলে মনে করছে পরিবেশ সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির বড় অংশ ঋণ ও অনুদানের অর্থায়নে কক্সবাজার ও নোয়াখালীর ১১ উপজেলায় বাস্তবায়ন হবে। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ২৩২ কোটি ২৮ লাখ টাকা ঋণ দেবে। এছাড়া ৩০৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা অনুদান এবং ১১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা সরকার (জিওবি) জোগান দেবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এটি বাস্তবায়ন করবেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি টেকনাফ-উখিয়ার স্থানীয় জনসমাজের পানি, স্যানিটেশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা উন্নয়ন হবে।

প্রকল্পের আওতায় প্রধান প্রধান কার্যক্রম হলো, বিদ্যমান পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ অব্যাহত রাখা, ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, উখিয়ায় ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষণাগারের উন্নয়ন এবং টেকনাফ পৌরসভায় নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য পাইপ লাইন তৈরি করা। প্রকল্পের কার্যক্রমে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা অধ্যুষিত কক্সবাজারের উখিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পানি সঞ্চালন লাইন, বিতরণ নেটওয়ার্ক এবং গৃহসংযোগ করা হবে। এছাড়া পানি শোধনাগার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য সেকেন্ডারি লাইন নির্মাণ, বিদ্যমান মিনি পাইপ ওয়াটার স্কিম ও স্যানিটেশন সুবিধা পরিচালন, ভাসানচরে ফিজিক্যাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উন্নয়ন এবং সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুবিধার সংস্কার ও পুনর্বাসন করবে প্রকল্পটি।
প্রকল্পটি ২০২৮ সালের জুনে শেষ হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ওই এলাকার মানুষের জীবনমানের কী উন্নয়ন ঘটবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পরিকল্পনা) এহতেশামুল রাসেল খান বলেন, ‘এই প্রজেক্টের যে ফোকাল পারসন গোলাম মুক্তাদির তার সঙ্গে কথা বলেন।’

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রজেক্টের ফোকাল পারসন গোলাম মুক্তাদির বলেন, ‘প্রকল্পটির মূল কাজ মিনি ওয়াটার পাইপ সাপ্লাই সিস্টেম উন্নয়ন করা। আমরা সেখানে কয়েকটি স্থানে ওয়াটার পাইপ সিস্টেম চালু করব। প্রকল্পের আরেকটি প্রধান কাজ হচ্ছে উখিয়ায় যে পানির সঞ্চালন লাইন আছে সেখান থেকে টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লাইনটি সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে। প্রকল্পটি মূলত এডিবির অর্থায়নের কারণে তাদের কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে।’

জলবায়ু পরিবর্তন: কক্সবাজারে সুপেয় পানির সংকট মেটাতে নতুন প্রকল্প

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেখাচ্ছে প্রকৃতি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব থেকে যেন মুক্তি মিলছে না কক্সবাজারবাসীর। এ কারণে উপকূলীয় জেলাটির খাবার পানির সংকট দিন দিন বেড়েই চলেছে। বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন, লবণাক্ত পানির প্রবাহ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন কারণে এ সংকট তৈরি হচ্ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মনে করেন, এর ফলে বিরূপ প্রভাব পড়ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর।

জেলা শহরসহ ৯ উপজেলার ৭২টি ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকাতেই দ্রুত নিচে নামছে ভূ-গর্ভস্থ সুপেয় পানির স্তর। জেলার সরকারি প্রায় অর্ধলাখ নলকূপের সোয়া এক হাজার অকেজো হয়ে পড়েছে। পানি উঠছে না আরও প্রায় হাজার খানেক নলকূপে। দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়াসহ উপকূল-সমতলে সংকট একই ধরনের। ভোগান্তি রয়েছে উখিয়া-টেকনাফের আশ্রয় ক্যাম্পেও। ‘অনাবৃষ্টি’ ও ‘অতি তাপমাত্রার’ ফলে এ ভোগান্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, গ্রীষ্ম শুরু হতেই পানির সংকট দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ টিউবওয়েল থেকে পানি পাওয়া যাচ্ছে না। শহরে পানি কিনে পানের সুযোগ থাকলেও গ্রামে সুপেয় পানির জন্য নলকূপই ভরসা। নলকূপে পানি না পাওয়ায় গ্রামে অনেকেই পানযোগ্য এক কলসি পানি আনতে দূর দুরান্তে যেতে হয়।

সদরের লিংকরোড়ের আব্দুল করিম জানান, মে মাসের দিকে এক মাসেরও অধিক সময় ধরে নলকূপে পানি পাওয়া যায়নি। এতে আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এ অবস্থায় কক্সবাজার শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় পানীয় জল হিসেবে বোতলজাত পানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেখাচ্ছে প্রকৃতি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাব থেকে যেন মুক্তি মিলছে না কক্সবাজারবাসীর। জেলার সর্বত্র দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির সংকট।

তবে, সংকট নিরসনে ‘ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিস অ্যান্ড লাইভলিহুড ফর ডিসপ্লেসড রোহিঙ্গা পিপল অ্যান্ড হোস্ট কমিউনিটিস ইমপ্রুভমেন্ট’ বা ‘বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং স্থানীয় জনসমাজের সমন্বিত সেবা ও জীবন-জীবিকা উন্নয়ন’ নামের প্রকল্পটি গত মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) অনুমোদন দিয়েছে।

প্রকল্পটিতে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৫২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

কক্সবাজার পৌরসভার জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল বিভাগের মতে, কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য অগভীর নলকূপ অকেজো হয়ে পড়েছে।
জেলায় সুপেয় পানির স্তর প্রতিবছর ১০-১২ ফুট হারে নিচে নামছে। ১০ বছর আগেও শহরের আশপাশের এলাকায় ১২০-১৫০ ফুটের মধ্যে ভূ-গর্ভস্থ সুপেয় পানির স্তর পাওয়া গেলেও এখন ৩০০-৪০০ ফুটের বেশি গভীরে যেতে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে সাগরতীরের কলাতলী এলাকায় পানির স্তর ১০-১৫ ফুট নিচে নেমেছে। ফলে অকেজো হয়েছে এখানকার কয়েকশ আবাসিক হোটেলের অসংখ্য পানির পাম্প।

ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে এমন অবস্থা বলে মনে করছে পরিবেশ সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির বড় অংশ ঋণ ও অনুদানের অর্থায়নে কক্সবাজার ও নোয়াখালীর ১১ উপজেলায় বাস্তবায়ন হবে। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ২৩২ কোটি ২৮ লাখ টাকা ঋণ দেবে। এছাড়া ৩০৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা অনুদান এবং ১১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা সরকার (জিওবি) জোগান দেবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এটি বাস্তবায়ন করবেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি টেকনাফ-উখিয়ার স্থানীয় জনসমাজের পানি, স্যানিটেশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা উন্নয়ন হবে।

প্রকল্পের আওতায় প্রধান প্রধান কার্যক্রম হলো, বিদ্যমান পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থার পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ অব্যাহত রাখা, ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, উখিয়ায় ভূ-উপরিস্থ পানি সংরক্ষণাগারের উন্নয়ন এবং টেকনাফ পৌরসভায় নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য পাইপ লাইন তৈরি করা। প্রকল্পের কার্যক্রমে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা অধ্যুষিত কক্সবাজারের উখিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত পানি সঞ্চালন লাইন, বিতরণ নেটওয়ার্ক এবং গৃহসংযোগ করা হবে। এছাড়া পানি শোধনাগার ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য সেকেন্ডারি লাইন নির্মাণ, বিদ্যমান মিনি পাইপ ওয়াটার স্কিম ও স্যানিটেশন সুবিধা পরিচালন, ভাসানচরে ফিজিক্যাল স্লাজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উন্নয়ন এবং সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুবিধার সংস্কার ও পুনর্বাসন করবে প্রকল্পটি।
প্রকল্পটি ২০২৮ সালের জুনে শেষ হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ওই এলাকার মানুষের জীবনমানের কী উন্নয়ন ঘটবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (পরিকল্পনা) এহতেশামুল রাসেল খান বলেন, ‘এই প্রজেক্টের যে ফোকাল পারসন গোলাম মুক্তাদির তার সঙ্গে কথা বলেন।’

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রজেক্টের ফোকাল পারসন গোলাম মুক্তাদির বলেন, ‘প্রকল্পটির মূল কাজ মিনি ওয়াটার পাইপ সাপ্লাই সিস্টেম উন্নয়ন করা। আমরা সেখানে কয়েকটি স্থানে ওয়াটার পাইপ সিস্টেম চালু করব। প্রকল্পের আরেকটি প্রধান কাজ হচ্ছে উখিয়ায় যে পানির সঞ্চালন লাইন আছে সেখান থেকে টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লাইনটি সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে। প্রকল্পটি মূলত এডিবির অর্থায়নের কারণে তাদের কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করা হবে।’

এখন পর্যন্ত টেকনাফ পৌরসভায় কোনো নিরাপদ পানির সরবরাহ নেই বলেও জানান গোলাম মুক্তাদির।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টেকনাফে সুপেয় পানির কোনো উৎস পাওয়া যায় নাই। এ কারণে এই এলাকায় সুপেয় পানির সংকট লেগেই থাকে।

এখন পর্যন্ত টেকনাফ পৌরসভায় কোনো নিরাপদ পানির সরবরাহ নেই বলেও জানান গোলাম মুক্তাদির।

Tags: জলবায়ুপরিবেশপানিসংকট
ShareSend

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

টানা ৫ দিন বজ্রবৃষ্টির আভাস

দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা, হতে পারে শিলাবৃষ্টিও

দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা, হতে পারে শিলাবৃষ্টিও

দিনভর তপ্ত রোদ, সন্ধ্যায় রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

তাপমাত্রার পারদ ছুঁয়েছে ৩৭.৮ ডিগ্রিতে, স্বস্তির বৃষ্টির অপেক্ষায় জনজীবন

শুক্রবারের বৃষ্টিতে ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা কমেছে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রী

বসন্তের আকাশ ভেঙে নামছে ‘আষাঢ়ে’ বৃষ্টি, প্রকৃতি কেন হঠাৎ এত বিরূপ?

সর্বশেষ সংবাদ

মার্কিন অবরোধের মধ্যেই হরমুজ পার হলো ইরানি জাহাজ

মার্কিন অবরোধের মধ্যেই হরমুজ পার হলো ইরানি জাহাজ

ফের আসছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’, এটি কীভাবে করা হয়

ফের আসছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’, এটি কীভাবে করা হয়

আরএমপির ১১ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি

আরএমপির ১১ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি

পাঁচ বছরের মধ্যে ৩১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

পাঁচ বছরের মধ্যে ৩১১০টি শূন্যপদে নিয়োগ: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান

টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান

Load More

Advisor: Md. Tofazzal Hossain
Editor: Md. Sharif Hossain

Office: House 23, Road 01, Sector 12, Uttara, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +88 01716198920, Email: kalerpatrika@gmail.com

Facebook Youtube Linkedin X-twitter Whatsapp

Copyright © 2026 Kaler Patrika, All rights reserved

No Result
View All Result
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস

Press Release: kalerpatrika@gmail.com