
যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র তাপপ্রবাহে চলতি বছরের মে ও জুন মাসে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অন্তত ২,৭০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এক গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) প্রকাশিত ওই গবেষণায় ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন, দেশটির আবহাওয়া দপ্তর (মেট অফিস) এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের বিশেষজ্ঞরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
আবহাওয়ার তথ্য, জলবায়ু মডেল এবং তাপপ্রবাহের সময় অতিরিক্ত মৃত্যুর হার সম্পর্কিত বিভিন্ন গবেষণা বিশ্লেষণ করে তারা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।
গবেষণায় আবহাওয়া অফিসের জলবায়ু বিশ্লেষণ দলের বিজ্ঞান ব্যবস্থাপক মার্ক ম্যাকার্থির বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “যুক্তরাজ্য এবং পশ্চিম ইউরোপের সব অঞ্চলের জন্যই এটি ছিল চরম মাত্রার তাপপ্রবাহ। বিশেষ করে বছরের শুরুর দিকে এবং এই সময়ে এমন তীব্র তাপপ্রবাহ দেখা দেওয়া ছিল অত্যন্ত ব্যতিক্রমী ঘটনা।”
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্বে থাকা সংস্থা ক্লাইমেট চেঞ্জ কমিটি (সিসিসি) গত বছর সতর্ক করে বলেছিল, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য এখনও প্রস্তুত নয়।
গবেষণায় ব্যবহার করা মডেল চরম তাপমাত্রার ঝুঁকির মাত্রা এবং জলবায়ু পরিবর্তন যে ক্রমবর্ধমান হুমকি তৈরি করছে, তা তুলে ধরতে সহায়তা করে বলে জানিয়েছেন ইউকেএইচএসএ’র সেন্টার ফর ক্লাইমেট অ্যান্ড হেলথ সিকিউরিটির প্রধান লিয়া বেরাং ফোর্ড।
গবেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব না থাকলে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বর্তমানের তুলনায় ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম থাকত।







