
গড়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। একই সঙ্গে টানা চতুর্থবারের মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের কৃতিত্বও অর্জন করেন তিনি। তবে মেসির আটটি ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমের মধ্যে ভোট ভাগ হয়ে যাওয়ায় তার কোনো একটি মৌসুম অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মেসির ২০২৩ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুমটি পেয়েছে প্রায় ৯ শতাংশ ভোট। কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর পর এই পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। ওই সময়ে পিএসজির হয়ে ৪১ ম্যাচে ২১ গোল করার পাশাপাশি ২০টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন এই তারকা। ক্লাবের হয়ে লিগ ওয়ান ও ফরাসি সুপার কাপও জিতেছিলেন তিনি।
ভোটের তালিকায় রোনালদোর ২০০৭ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মৌসুম পেয়েছে প্রায় ৭ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, ২০১৬ সালের মৌসুমের পক্ষে ভোট পড়েছে প্রায় ২ শতাংশ। বাকি মৌসুমগুলোর কোনোটি এক শতাংশের বেশি ভোট পায়নি, আবার কয়েকটির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভোটের হারও দেখা যায়নি।
এদিকে, ক্যারিয়ারে ১,০০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার লক্ষ্যেও এগিয়ে যাচ্ছেন মেসি ও রোনালদো। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মেসি ১,১৮০ ম্যাচে ৯৩৬ গোল করেছেন। অন্যদিকে, রোনালদোর গোলসংখ্যা ১,৩৪০ ম্যাচে ৯৮১।
ভোটের ফলাফল অনুযায়ী, আপাতত রোনালদোর ২০০৮ সালের মৌসুমটি সমর্থকদের পছন্দে এগিয়ে থাকলেও মেসির বিভিন্ন ব্যালন ডি’অরজয়ী বছরগুলোতেও ভোট পড়ছে। ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত ভোট চলায় শেষ পর্যন্ত ব্যবধান কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।







