Kaler Patrika
ঢাকা, ভোর ৫:৪৩
সোমবার | ১২ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৩শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শীতকাল
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
Kaler Patrika
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
Kaler Patrika
No Result
View All Result

কর্ণফুলীতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ব্যাপক উপস্থিতি, প্রতিকেজি পলিতে প্রায় ২৭২ টি কণা

সাম্প্রতিক গবেষণায় তথ্য পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি শহরের রাস্তা, বাজার ও আবাসিক এলাকা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ বাড়ানো ও রিসাইক্লিংয়ে সমাধান

স্টাফ রিপোর্টারbyস্টাফ রিপোর্টারandমো. শরিফ হোসেন
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫
in জলবায়ু, নির্বাচন, লিড নিউজ
Reading Time: 1 min read
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ

পরিবেশে বাড়ছে মাইক্রো-প্লাস্টিকের উপস্থিতি। সম্প্রতি চট্টগ্রামের প্রাণ কর্ণফুলী নদীতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ব্যাপক উপস্থিতি নতুন শঙ্কা তৈরি করছে। এটা শুধু পরিবেশ নয়, জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, নদীতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ভয়াবহ উপস্থিতি পরিবেশ ও প্রতিবেশের সর্বনাশ ঘটাচ্ছে।

গবেষণায় নদীর প্রতি ঘনমিটার পানিতে প্রায় ১৪.২৩ থেকে ২৬.৬৮টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। আর পলিতে পাওয়া গেছে প্রতি কেজিতে ৭৫.৬৩ থেকে ২৭২.৪৫টি কণা। এর ফলে, নদীর অবস্থা দিন দিন ভয়ঙ্কর হচ্ছে। শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় শিল্প, আবাসিক, বাণিজ্যিক সব ধরনের বর্জ্য আর গৃহস্থালির অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য প্রবাহিত হচ্ছে কর্ণফুলীতে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে সূত্র বলেছে, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ হাজার টন বর্জ্য কর্ণফুলী নদীতে যাচ্ছে। এই বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে প্লাস্টিক, পলিথিন, কাচের বোতল, বোতলের ঢাকনা, ফুটপাতের জুতার টুকরা, মাছ ধরার জাল, দড়ি, আবর্জনা, খাদ্যবর্জ্য ও অন্যান্য নন–বায়োডিগ্রেডেবল উপাদান। ভাঙা খাট–পালং, লেপ–তোষক থেকে শুরু করে নানা ধরনের বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিণত হচ্ছে কর্ণফুলী।

গবেষণাগুলোর মধ্যে সাম্প্রতিক ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক পলিউশন ইন দ্য ওয়াটার অ্যান্ড সেডিমেন্ট অব দ্য কর্ণফুলী রিভার’ শীর্ষক গবেষণায় বলা হয়েছে, নদীর প্রতি ঘনমিটার পানিতে প্রায় ১৪.২৩ থেকে ২৬.৬৮টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। আর পলিতে পাওয়া গেছে প্রতি কেজিতে ৭৫.৬৩ থেকে ২৭২.৪৫টি কণা। এই মাইক্রোপ্লাস্টিকের আকার সাধারণত ০.৩ থেকে ০.৫ মিলিমিটার এবং সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে ফাইবার বা থ্রেড আকৃতির কণা। বেশি পাওয়া গেছে পলিথিলিন, পলিফিলাম্যাট্রি, পলিথিন টেরেফথালেট, পলিস্টায়রিন এবং আলকিড রেজিন। নদীর তলদেশের মাটি ও পানিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঘনত্ব ডাউনস্ট্রিম বা ভাটি এলাকায় অনেক বেশি পাওয়া গেছে। অর্থাৎ শহরের দিকে যেখানে বর্জ্য ঢুকছে সেখানে সমস্যা বেশি। এর ফলে রাসায়নিক ও ধাতব দূষণ, অঙিজেন ক্ষয়ের মাত্রা, জৈব অঙিজেন, রাসায়নিক অঙিজেন, টঙিক ধাতু যেমন পিবি, ক্রোমিয়াম, নিকেল, সীসার পরিমাণ বাড়ছে। এগুলো পানিতে বসবাসকারী প্রাণীদের জন্য অতি ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্ষা, শীত ও গ্রীষ্মে তিন পর্যায়ে পরিচালিত পরীক্ষায় নদীর নিম্নাঞ্চল সব থেকে বেশি দূষিত পাওয়া গেছে।

গবেষণার ফলাফলে উল্লেখ করা হয়েছে, মাছ, শামুক, কাঁকড়া প্রভৃতি জলজ প্রাণী মাইক্রোপ্লাস্টিক কণাগুলো খেয়ে ফেলছে। এসব প্রাণীর মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। ফলে খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে প্লাস্টিক ও সেগুলোর সঙ্গে যুক্ত রাসায়নিক ও বিষাক্ত ধাতু অন্তত আংশিকভাবে মানুষের শরীরে প্রবেশের আশঙ্কা বাড়ছে। মাইক্রোপ্লাস্টিক কণাগুলো সাধারণত রাসায়নিক পদার্থ শোষণ করতে সক্ষম হয়। যেমন পেস্টিসাইড, ফাঙ্গিসাইড, প্লাস্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত অ্যাডিটিভ বা অঙিডিজার ও অন্যান্য হরমোন বদলকারী উপাদান। এর ফলে জলজ জীববৈচিত্র্য ক্ষয় হচ্ছে। মাছের আহারযোগ্য অংশ কমে যাচ্ছে, মাছের প্রজনন হ্রাস পাচ্ছে এবং রোগব্যাধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা মানবদেহে অস্বাস্থ্যকর রাসায়নিক জাতীয় প্রদাহ, পুষ্টি অসাম্য, হরমোনজনিত সমস্যা তৈরি করছে।

গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে সূত্র বলেছে, গৃহস্থালির বর্জ্যের পাশাপাশি শিল্পকারখানা থেকে নিষ্কাশিত বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ছাড়াই নদীতে পড়ছে। বৃষ্টির পানি ও ঝড়‐বৃষ্টির সময় রাস্তা, বাজার, আবাসিক এলাকা থেকে নন–বায়োডিগ্রেডেবল বর্জ্য খালে এবং খাল হয়ে নদীতে গিয়ে পড়ছে।

সূত্রগুলো বলেছে, শহরের রাস্তা, বাজার ও আবাসিক এলাকা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি বর্জ্য পুনর্ব্যবহার ও রিসাইক্লিং না করলে এই সংকটের সুরাহা হবে না। প্লাস্টিক বর্জ্য দিনে দিনে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে মন্তব্য করে সূত্র বলেছে, এই বর্জ্য যাতে অবাধে নদীতে গিয়ে পড়তে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। মাইক্রোপ্লাস্টিক ও প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে। বর্জ্য কমিয়ে ব্যবহার ও পুনর্ব্যবহার বিষয়ে উৎসাহ দিতে হবে। নদী তীরবর্তী কারখানাগুলোকে কারখানার কেমিক্যাল বর্জ্য ও রাসায়নিক নির্গমন নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করতে হবে। এগুলো ঠেকাতে মনিটরিং সেল গঠন করে আইনের প্রয়োগ করতে হবে। মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রবাহ সমুদ্র পর্যন্ত যাচ্ছে। এগুলো ঠেকানোর উদ্যোগ এখনই নিতে হবে।

এ বিষয়ে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। শহরের বর্জ্য যাতে কোনোভাবে নদীতে যেতে না পারে তার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই শহর আমাদের সবার, এই নদী আমাদের সকলের। এই নদীকে রক্ষা করতে সকলকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

ShareSend

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

kaler patrika

কুয়াশা পড়লে ঠান্ডা বাড়ে নাকি কমে?

কঞ্চিপাড়ার বেলাল হোসেনের ‘চমক’

কঞ্চিপাড়ার বেলাল হোসেনের ‘চমক’

‘চারে নামতে পারে’ তাপমাত্রা, কাল থেকে শীত বাড়ার আভাস

সারাদেশে শীত, শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৭ জেলা

লাউয়াছড়া বনাঞ্চল আজ ‘চরম পরিবেশ সংকটে’

উত্তরের জেলাগুলো ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন, বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির

‘সংকটে’ দেশের পোল্ট্রি শিল্প

বগুড়ায় ফুলকপির কেজি দুই টাকা

সুতাং নদীর মাছে প্রায় ১.৭টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি

নিরাপদ চিংড়ি উৎপাদন নিশ্চিত করার তাগিদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার 

সর্বশেষ সংবাদ

সড়কের পাশে উদ্ধার হওয়া শিশুটির পাশে দাঁড়াল ‘স্বপ্ন’

সড়কের পাশে উদ্ধার হওয়া শিশুটির পাশে দাঁড়াল ‘স্বপ্ন’

kaler patrika

কুয়াশা পড়লে ঠান্ডা বাড়ে নাকি কমে?

কঞ্চিপাড়ার বেলাল হোসেনের ‘চমক’

কঞ্চিপাড়ার বেলাল হোসেনের ‘চমক’

সারাদেশে শীত, শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৭ জেলা

‘চারে নামতে পারে’ তাপমাত্রা, কাল থেকে শীত বাড়ার আভাস

দক্ষিণাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে বাড়ছে তরমুজ চাষ, শক্তিশালী অর্থনীতির ধারা

দক্ষিণাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে বাড়ছে তরমুজ চাষ, শক্তিশালী অর্থনীতির ধারা

সারাদেশে শীত, শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৭ জেলা

সারাদেশে শীত, শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৭ জেলা

Load More

Advisor: Md. Tofazzal Hossain
Editor: Md. Sharif Hossain

Office: House 23, Road 01, Sector 12, Uttara, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +8801716198920, Email: kalaerpatrika@gmail.com

Facebook Youtube Linkedin X-twitter
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact

Copyright © 2025 Kaler Patrika, All rights reserved | Development & Maintenance By: </> Hur Agency

No Result
View All Result
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস

Press Release: kalerpatrika@gmail.com