সরকার পাটের ব্যাগ চালু করতে শত কোটি টাকার ফান্ড নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
তিনি বলেন, ‘প্রায় ১০০ কোটি টাকার ফান্ড দিয়ে জেডিপিসি’র মাধ্যমে ১০০৬ জন উদ্যোক্তার অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে চেষ্টা করছি বাজারে পাটের একটা সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আনার। অতীতের মতো আমরা যাতে করে পাটের ব্যাগ ব্যবহার করতে পারি।’
বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) টেকসই উন্নয়নে পাটের ভূমিকা বিষয়ক সেমিনার ‘হাফিজউদ্দিন আহমেদ ও ফাতেমা আহমেদ ট্রাস্ট লেকচার-২০২৫’- অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় উপদেষ্টা বলেন, ‘পাটের স্কোয়ার মিটার, মাইলেজ ও এর পরিধি বাড়াতে গবেষণা দরকার। র্যাপিং (মোড়ক) উপকরণ হিসেবে বিশ্বব্যাপী পাটের বিশাল বাজার আছে।’
উপস্থিত শিক্ষার্থীদের ‘ফিউচার ক্যাপ্টেন’ উল্লেখ করে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘আপনারা অনেক জায়গায় রিফাইন্ড ক্যারেক্টার দেখিয়েছেন, বলেছেন মানি না। পাটের ব্যাগের জন্য আমাদের কালচারাল চেঞ্জ (সাংস্কৃতিক পরিবর্তন) দরকার, কাউকে বাধ্য করে নয়। পাটপণ্য উদ্ভাবন ও খরচ কমিয়ে এর বাণিজ্যিক সফলতা তৈরি করতে সক্ষমতা বাড়াতে হবে, যা প্লাস্টিককে হারাতে পারে। এজন্য নীতি, পদক্ষেপ ও প্রচেষ্টার সমন্বিত উদ্যোগ রাখতে হবে। উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর মাধ্যমে শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি বাংলাদেশ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের (বুটেক্স) ভিসি প্রফেসর ড. ইঞ্জি. মো. জুলহাস উদ্দিন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব করতে পাট চাষ ও এর রপ্তানি এবং এর ভবিষ্যতের নানা দিক উপস্থাপন করেন।
সেইসঙ্গে আগামী বাণিজ্য মেলায় একমাত্র পাটব্যাগ প্রচলনের দাবি জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক রাশিদা আখতার খানম, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নারগিস আখতার, আইইবি- এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট ইঞ্জি. খান মঞ্জুর মোরশেদ, আইটিইটি এর কনভেনর ইঞ্জি. আহসানুল করিম কায়সার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।







