
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে যাওয়া সাংবাদিক ও মিডিয়া টিমের সদস্যদের ভিসা না দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করেছে তেহরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই অভিযোগ করে বলেছেন, সাংবাদিকদের ভিসা না দেওয়ার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ‘সত্য গোপন করার’ চেষ্টা করছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন দেশের ভেতরে যেসব সাংবাদিককে অপছন্দ করে, তাদের জন্য দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। একইভাবে বিদেশি সাংবাদিকদেরও আটকে দিচ্ছে, যাদের কণ্ঠ তারা নীরব করতে চায়। এর মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্টের যোগাযোগ ও মিডিয়া টিমও রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো প্রশাসন যখন দরজা বন্ধ করে দেয়—এমনকি নিজেদের দেশের অপছন্দের সাংবাদিকদের জন্যও—এবং বিদেশি সাংবাদিকদের, বিশেষ করে ইরানের প্রেসিডেন্টের মিডিয়া টিমকে বাধা দেয়, তখন সেটি শুধু প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের বিষয় নয়। বরং তারা সত্য গোপন করতে এবং তথ্য পাওয়ার অধিকার পদদলিত করে নিজেদের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা আরও এগিয়ে নিতে চায়।’
বাঘেই আরও বলেন, ‘একসময় যে দেশ লৌহপর্দা ভেঙে ফেলার জন্য গর্ব করত, সেই দেশই এখন নিজেদের তৈরি একটি লৌহপর্দার আড়ালে দাঁড়িয়ে আছে।’
এর আগে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের কয়েকজন সদস্যকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানায় যুক্তরাষ্ট্র। তাদের মধ্যে পেজেশকিয়ানের যোগাযোগ ও মিডিয়া টিমের সদস্যরাও রয়েছেন।
ইরানের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নজিরবিহীনভাবে বৈরী পদক্ষেপ।







