গবেষণা জোরদার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। আজ সোমবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ‘এডুকেশন, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ইনস্টিটিউট অব অ্যাপ্রোপ্রিয়েট টেকনোলজি এই সেমিনারের আয়োজন করে।
মন্ত্রী বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের সামনে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বন্যার পূর্বাভাস, নদী ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ ও জলবায়ু ঝুঁকি নিরূপণে এআই-এর গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আগাম সতর্কবার্তা প্রদানে এ প্রযুক্তির প্রয়োগ আরও বাড়াতে হবে। তবে প্রযুক্তির উন্নতির পাশাপাশি ডিপফেক ও এর অপব্যবহার রোধে সামাজিক সচেতনতা এবং দায়িত্বশীলতাও অপরিহার্য।” দেশের মেগা প্রকল্প প্রসঙ্গে পানিসম্পদ মন্ত্রী জানান, পদ্মা ব্যারেজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার মতো বড় অবকাঠামো বাস্তবায়নে বিশেষজ্ঞদের মতামত ও প্রযুক্তিনির্ভর পরিকল্পনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, গবেষণা ও প্রযুক্তির সঠিক সমন্বয় ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি গবেষণ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একরামুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন অ্যাডজাঙ্ক্ট প্রফেসর ড. রফিকুল গনি। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. সাব্বির মোস্তফা খান। অনুষ্ঠানে কনভেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. মহিদুস সামাদ খান। অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বুয়েটের চারজন সাবেক শিক্ষক—প্রফেসর ড. ইকবাল মাহমুদ, প্রফেসর ড. নূরউদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম এবং প্রফেসর ড. এম কামাল উদ্দিনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।







