Kaler Patrika
ঢাকা,
|
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
YouTube
Fcaebook
Kaler Patrika
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
Kaler Patrika
No Result
View All Result

রোহিঙ্গা সংকটের আড়ালে বাড়ছে মানবপাচারের ঝুঁকি

Kaler Patrikabyকালের পত্রিকা ডেস্ক
September 27, 2026- 11:47 am
in দেশ, লিড নিউজ
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ

রোহিঙ্গা সংকট আরও গভীর হচ্ছে। এর সঙ্গে বাড়ছে মানবপাচারের ঝুঁকি। কক্সবাজারের শিবির থেকে সমুদ্রপথ—দুই জায়গাতেই ঝুঁকির চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৫ সালে কক্সবাজারে ৪০৭টি মানবপাচারের ঘটনা শনাক্ত হয়েছে।

একই বছর ৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় বের হন। প্রাণ হারান বা নিখোঁজ হন ৮৯০ জনের বেশি। চলতি বছর ঝুঁকি আরও বেড়েছে। জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৪৯ জন এই সমুদ্রপথে যাত্রা করেছেন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ৫৬ শতাংশ বেশি।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষজ্ঞদের ২০২৬ সালের ‘এএল বিজিডি ৪/২০২৬’ (বাংলাদেশ-সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ যোগাযোগ নথির নম্বর) নথিতে এসব তথ্য ও উদ্বেগ উঠে এসেছে। নথিটি প্রকাশ করা হয় গত ১৪ সেপ্টেম্বর।

 

  • কক্সবাজারে ২০২৫ সালে ৪০৭ ঘটনা শনাক্ত
  • পাঁচ মাসে সমুদ্রযাত্রা ৫৬ শতাংশ বেড়েছে

 

জাতিসংঘের মানবপাচারবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক সিওভান মুলালি, অভিবাসীদের মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক গেহাদ মাদি এবং নারী ও মেয়েদের প্রতি বৈষম্যবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ারম্যান-র‍্যাপোর্টিয়ার ক্লডিয়া ফ্লোরেস বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রতিবেদন পাঠান।

নথিতে প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির এবং বাংলাদেশ থেকে সমুদ্রপথে যাত্রাকারীদের মানবপাচারের ঝুঁকি নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ জানিয়েছেন। বিশেষ করে ভুক্তভোগী শনাক্তকরণ, সুরক্ষা এবং পাচার প্রতিরোধে সম্ভাব্য পদ্ধতিগত ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

তবে নথিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞদের কাছে পাওয়া তথ্য ও অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে তারা আগাম কোনো সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন না।

কক্সবাজারে ৪০৭ মানবপাচারের ঘটনা

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের যোগাযোগ নথিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে ৪০৭টি মানবপাচারের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে।

নথিতে প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, শনাক্ত ভুক্তভোগীদের মধ্যে ২৪৮ জন পুরুষ, ৮৮ জন নারী, ৪১ জন ছেলে এবং ২৯ জন মেয়ে। একজনের লিঙ্গপরিচয় অন্যভাবে নথিভুক্ত হয়েছে।

হিসাব অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ছিলেন মোট ভুক্তভোগীর ৬১ শতাংশ, নারী ২২ শতাংশ, ছেলে ১০ শতাংশ এবং মেয়ে ৭ শতাংশ। অর্থাৎ ১৮ বছরের কম বয়সি শিশুরা মোট ভুক্তভোগীর ২১ শতাংশ।

নথিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পুরুষ ও ছেলেদের ক্ষেত্রে কৃষি, পশুপালন, মাছ ধরা, বনকাজ ও নির্মাণশ্রমে পাচারের ঘটনা পাওয়া গেছে। নারী ও মেয়েদের ক্ষেত্রে কারখানার কাজ, গৃহস্থালি শ্রম এবং জোরপূর্বক যৌনকাজে পাচারের তথ্য রয়েছে।

চাকরি, শিক্ষা ও বিয়ের প্রলোভন

জাতিসংঘের নথিতে প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে সুযোগের সংকটকে কাজে লাগাচ্ছে মানবপাচারকারী চক্রগুলো—এমন অভিযোগ বিশেষজ্ঞদের কাছে পৌঁছেছে। শিশু ও তরুণদের চাকরি, শিক্ষা অথবা বিয়ের প্রলোভন দেখানোর তথ্যও নথিতে রয়েছে।

নথিতে বলা হয়েছে, শিবিরে শিক্ষা ও জীবিকার সীমিত সুযোগ, চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ, নথিপত্রের সীমাবদ্ধতা এবং নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনের পথ না থাকা অনেক রোহিঙ্গাকে অনিরাপদ পথে যাওয়ার ঝুঁকিতে ফেলছে। এতে দালাল ও পাচারকারীদের ওপর নির্ভরতার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের কাছে পাওয়া তথ্যে আরও বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রে জোরপূর্বক বিয়ে, জোরপূর্বক শ্রম, যৌন শোষণ, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ এবং জোর করে অপরাধমূলক কাজে যুক্ত করার মতো পাচারের ঝুঁকি রয়েছে।

উদ্ধার ব্যক্তিদের শনাক্তকরণেও উদ্বেগ

জাতিসংঘের নথিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সমুদ্র থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বাংলাদেশে ফেরত আনার পর কখনো কখনো আটক বা গ্রেফতার করা হয়। পাচারের শিকার ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে দেরি হলে তাদের ভুক্তভোগী হিসেবে সহায়তা দেওয়ার বদলে অনিয়মিত অভিবাসী বা অপরাধী হিসেবে বিবেচনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

সমুদ্রপথে ভয়াবহ মৃত্যুর মিছিল

 

  • এক বছরে ৮৯০-এর বেশি প্রাণহানি

    পাঁচ মাসেই ৪৩৪৯, যাত্রা বেড়েছে ৫৬ শতাংশ

    শিবিরে ৪০৭ মানবপাচারের ঘটনা

    চাকরি-বিয়ে-শিক্ষার প্রলোভনে ফাঁদ

    শনাক্তকরণ ও সুরক্ষা ব্যবস্থায় প্রশ্ন

    বাংলাদেশের কাছে ১০ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে জাতিসংঘ

    অর্থ কমছে, বাড়ছে ঝুঁকি

নথিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় রেফারেল ব্যবস্থার মাধ্যমে মানবপাচারের সম্ভাব্য ভুক্তভোগী শনাক্ত ও সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের কাছে পাওয়া তথ্যে দাবি করা হয়েছে, অভিবাসী, রোহিঙ্গা এবং আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পাচারের লক্ষণ শনাক্ত করার প্রক্রিয়া সব সময় নিয়মিতভাবে প্রয়োগ করা হয় না।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানতে চেয়েছেন, সমুদ্র থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের কীভাবে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয় এবং তাদের মানবপাচারের সম্ভাব্য ভুক্তভোগী হিসেবে কীভাবে যাচাই করা হয়।

আন্দামান সাগরে ২৫০ জন নিহত বা নিখোঁজ

জাতিসংঘের ওই যোগাযোগ নথিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৯ এপ্রিল আন্দামান সাগরে একটি নৌযান ডুবে প্রায় ২৫০ জন নিহত বা নিখোঁজ হন। নথিতে বলা হয়েছে, ৪ এপ্রিল কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়ে নৌযানটি মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।

প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, ৯ এপ্রিল প্রবল বাতাস, উত্তাল সমুদ্র এবং অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে নৌযানটি ডুবে যায়। নৌযানটি ডোবার আগে বা ডোবার সময় কোনো বিপদসংকেত পাঠানোর প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের নথিতে আরও বলা হয়েছে, ১১ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়াগামী একটি বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ সমুদ্রে বিপদগ্রস্ত কয়েকজনকে উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া নয়জনের মধ্যে আটজন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন। পরে তাদের বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নথিতে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন ছিলেন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী। পাচারের ঝুঁকি যাচাইয়ের পর তাদের সংশ্লিষ্ট সেবার জন্য রেফার করা হয়। বাকি ছয় বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মানবপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার ও আটকের তথ্যও নথিতে রয়েছে।

এক বছরে প্রাণহানি ৮৯০-এর বেশি

জাতিসংঘের ওই নথিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর হয়ে বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় বের হন। তাদের মধ্যে ৮৯০ জনের বেশি মারা যান বা নিখোঁজ হন।

নথিতে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে মৃত্যু ও নিখোঁজের সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এসব ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আনুমানিক ৬৬ শতাংশ নারী ও শিশু।

এদিকে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের পৃথক তথ্যে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন। সংস্থাটির হিসাবে, ওই বছর ৬ হাজার ৫০০-এর বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় অংশ নেন। অর্থাৎ প্রতি সাতজন যাত্রীর মধ্যে প্রায় একজন নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন।

২০২৬ সালেও বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের কাছে পাওয়া এবং তাদের যোগাযোগ নথিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৪৯ জন সমুদ্রপথে যাত্রা করেছেন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা ৫৬ শতাংশ বেশি।

জাতিসংঘ মহাসচিবের দপ্তরের গত জুলাইয়ের তথ্যে দেখা যায়, মিয়ানমারের রাখাইন থেকে রোহিঙ্গাদের বহনকারী দুটি নৌযান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। জাতিসংঘের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তখন পর্যন্ত ২০২৬ সালে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৩০০ মানুষ নিখোঁজ বা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্রের আগস্টের বিবৃতিতেও সমুদ্রে রোহিঙ্গাদের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ায় উদ্বেগ জানানো হয়। প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম, নিরাপদ অবতরণ এবং মানবপাচারবিরোধী আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের কাছে ১০ বিষয়ে জবাব চেয়েছে জাতিসংঘ

জাতিসংঘের নথিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে মোট ১০টি বিষয়ে তথ্য ও ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

এর মধ্যে রয়েছে ৯ এপ্রিলের নৌকাডুবির পরিস্থিতি ও তদন্ত, সমুদ্র থেকে উদ্ধার ব্যক্তিদের নিরাপদ স্থানে নেওয়া, পাচারের ঝুঁকি শনাক্তকরণ, রোহিঙ্গা শিবিরে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা, পাচারের ঘটনায় তদন্ত ও বিচার, ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা, চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা এবং ক্ষতিপূরণের সুযোগ।

এ ছাড়া দারিদ্র্য, শিক্ষার সীমিত সুযোগ, জীবিকার অভাব, পরিচয়পত্রের সীমাবদ্ধতা এবং নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসনের পথের সংকটের মতো মানবপাচারের মূল ঝুঁকিগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

নথিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, উত্থাপিত তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা আগাম কোনো সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন না। তবে তাদের কাছে পাওয়া তথ্য মানবপাচার প্রতিরোধ, ভুক্তভোগী শনাক্তকরণ এবং সুরক্ষা ব্যবস্থায় সম্ভাব্য কাঠামোগত ঘাটতির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে তারা উদ্বেগ জানিয়েছেন।

অর্থসংকটেও বাড়ছে ঝুঁকি

জাতিসংঘ ও অংশীদারদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কমে যাওয়ার বিষয়টিও ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। গত ২০ মে প্রকাশিত ২০২৬ সালের যৌথ আবেদনে রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জরুরি সহায়তায় ৭১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই আবেদন ২০২৫ সালের তুলনায় ২৬ শতাংশ কম।

আইওএমের ২০২৬ বাংলাদেশ ক্রাইসিস রেসপন্স প্ল্যানে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের ৩৩টি ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। সংস্থাটি বলেছে, সীমিত জীবিকা, চলাচলের বিধিনিষেধ এবং নিরাপদ ও নিয়মিত আইনি পথের অভাব মানবপাচার, শোষণ, শিশুশ্রম এবং অনিয়মিতভাবে অন্যত্র যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

সব মিলিয়ে প্রকাশিত জাতিসংঘের তথ্য বলছে, রোহিঙ্গা সংকট এখন শুধু আশ্রয়, খাদ্য ও প্রত্যাবাসনের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই। নিরাপদ চলাচল, মানবপাচার প্রতিরোধ এবং সমুদ্রপথে জীবন রক্ষার প্রশ্নও ক্রমেই সামনে আসছে।

ShareSend

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

প্রাথমিকের বাদপড়া শিক্ষকদের নিয়ে ইউটিএল’র বিবৃতি

প্রাথমিকের বাদপড়া শিক্ষকদের নিয়ে ইউটিএল’র বিবৃতি

নিউইয়র্ক সফর শেষে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী

নিউইয়র্ক সফর শেষে ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী

এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে: জামায়াত আমির

লাল কার্ড দেখিয়ে চুয়েটের নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান

মার্কিন ভিসা নিয়ে দূতাবাসের নতুন সতর্কবার্তা

সয়াবিন তেল নিয়ে ফের কারসাজি, কী পদক্ষেপ নেবে সরকার?

সর্বশেষ সংবাদ

আজকের স্বর্ণের দাম: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজকের স্বর্ণের দাম: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সয়াবিন তেলের দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা

সয়াবিন তেলের দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা

‘সন্ত্রাসে মদদ দিলে হামলা’,কড়া হুঁশিয়ারি ভারতের

‘সন্ত্রাসে মদদ দিলে হামলা’,কড়া হুঁশিয়ারি ভারতের

বাংলাদেশে মূল দল পাঠাবে না ভারত

বাংলাদেশে মূল দল পাঠাবে না ভারত

বিএনপি টিকেই আছে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধির ওপর: সারজিস আলম

বিএনপি টিকেই আছে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধির ওপর: সারজিস আলম

ফিলিস্তিনের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলতে কখনো ভয় পাইনি: হলিউড অভিনেত্রী

ফিলিস্তিনের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলতে কখনো ভয় পাইনি: হলিউড অভিনেত্রী

Load More

Advisor: Md. Tofazzal Hossain
Editor: Md. Sharif Hossain

Office: House 23, Road 01, Sector 12, Uttara, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +88 01716198920, Email: kalerpatrika@gmail.com

Facebook Youtube Linkedin X-twitter Whatsapp

Copyright © 2026 Kaler Patrika, All rights reserved

No Result
View All Result
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস

Press Release: kalerpatrika@gmail.com