Kaler Patrika
ঢাকা,
|
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
YouTube
Fcaebook
Kaler Patrika
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
Kaler Patrika
No Result
View All Result

নবম-দশমের বাংলা বইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়ার লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

মোঃ বিপ্লবbyমোঃ বিপ্লব
September 17, 2026- 3:06 pm
in শিক্ষা, হাইলাইটস
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ
নবম-দশমের বাংলা বইয়ে যুক্ত হচ্ছে জিয়ার লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দেশের মাধ্যমিক স্তরের নতুন পাঠ্যবইয়ে ইতিহাস উপস্থাপনে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। একদিকে নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য বইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধ যুক্ত হচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (বিজিএস) বইয়ে ইতিহাসের দীর্ঘ ধারাবাহিকতা তুলে ধরতে বেশ কিছু নতুন বিষয় ও ব্যক্তিত্বের অধ্যায় যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

এর মধ্যে রয়েছে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকা, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ের নতুন সংস্করণে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’কে নতুন গদ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। নিবন্ধটির লেখক হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম থাকছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) ইতোমধ্যে বিষয়টির অনুমোদন দিয়েছে এবং চূড়ান্ত কপি মুদ্রণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ আগস্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পর পাঠ্যবইয়ের সংশ্লিষ্ট অংশ চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী শিক্ষাবর্ষের নতুন বইয়ে দীর্ঘদিনের বাইরে থাকা এই লেখাটি আবারও মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচিতে জায়গা পাচ্ছে।

এনসিটিবির কারিকুলাম সংশ্লিষ্টরা জানান, নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা সাহিত্য’ বইয়ের ২২ নম্বর গদ্যে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ যুক্ত হচ্ছে। লেখক পরিচিতিতে জিয়াউর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সামরিক কর্মকর্তা, জেড ফোর্সের অধিনায়ক, ১ নম্বর সেক্টর কমান্ডার, সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই অংশে তাকে ‘বীর উত্তম’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধটি নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। নিবন্ধে ঈষৎ সংক্ষিপ্ত (সামান্য ছোট) করে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার চট্টগ্রামের পরিস্থিতি, প্রতিরোধযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে তার নিজের স্মৃতিচারণ উঠে এসেছেপ্রফেসর ড. এ. কে. এম শওকত আলী খান, সদস্য (শিক্ষাক্রম) এনসিটিবি

নতুন বইয়ে নিবন্ধটির আগে একটি ব্যাখ্যামূলক অংশও রাখা হয়েছে। সেখানে ১৯৭২ সালে ‘দৈনিক বাংলা’য় প্রকাশিত ‘একটি জাতির জন্ম’ এবং ১৯৮০ সালে ‘দৈনিক দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’কে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিকথা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব হিসেবে না দেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের ভূমিকার সমন্বিত ধারায় উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছে।

নিবন্ধটির মূল অংশে ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর তৎপরতা, ২৫ মার্চের গণহত্যা, সামরিক প্রতিরোধের প্রস্তুতি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরুর দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেছেন জিয়াউর রহমান। সেখানে ২৫ মার্চের রাতে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট ও শহরে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান সম্পর্কে জানতে পারা থেকে শুরু করে বাঙালি সামরিক সদস্যদের প্রতিরোধে যাওয়ার সিদ্ধান্তের বর্ণনা রয়েছে।

‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’তে জিয়াউর রহমানের বর্ণনা অনুযায়ী, ২৫ মার্চ রাতে চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ার খবর পাওয়ার পর তিনি বাঙালি সেনাসদস্যদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। পরে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের একত্র করে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার কথাও নিবন্ধে রয়েছে। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে সেই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধ শুরু হওয়ার স্মৃতিও তুলে ধরা হয়েছে।

নিবন্ধে পটিয়ার পাহাড় এলাকায় যাত্রা, ইপিআরের সদস্যদের সঙ্গে যোগ দেওয়া, চট্টগ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এবং প্রথম দিকের সম্মুখসমরের বিবরণও রয়েছে। একই সঙ্গে কালুরঘাটের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ঘটনাপ্রবাহ এবং সেখান থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচারের স্মৃতিও নিবন্ধটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (শিক্ষাক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম শওকত আলী খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের নবম-দশম শ্রেণির বাংলা সাহিত্য পাঠ্যবইয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ নিবন্ধটি নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। নিবন্ধে ঈষৎ সংক্ষিপ্ত (সামান্য ছোট) করে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার চট্টগ্রামের পরিস্থিতি, প্রতিরোধযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে তার নিজের স্মৃতিচারণ উঠে এসেছে।

এদিকে শুধু বাংলা সাহিত্য বই নয়, মাধ্যমিকের ইতিহাস ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়েও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নতুন বইয়ে দেশের ইতিহাসকে আরও দীর্ঘ ধারাবাহিকতায় উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাচীন বাংলা থেকে শুরু করে আধুনিক বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও ব্যক্তিত্বকে নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি বই ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপা হবে ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি বই। ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য প্রায় ১৮ কোটি বই ছাপানো হবে

এরমধ্যে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের নতুন সংস্করণে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আলাদা অংশ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে প্রাচীন বাংলার পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট গোপাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জীবন, কর্ম ও অবদান তুলে ধরা হবে। সম্ভাব্য তালিকায় সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীসহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে।

এনসিটিবি সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থীরা যাতে প্রাচীন বাংলা থেকে আধুনিক বাংলাদেশ পর্যন্ত ইতিহাসের একটি ধারাবাহিক ধারণা পায়, সে লক্ষ্যেই বিভিন্ন শ্রেণির বইয়ের বিষয়বস্তু পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। এতে একদিকে অপ্রাসঙ্গিক বা অতিরিক্ত পুনরাবৃত্ত বিষয় কমানো হচ্ছে, অন্যদিকে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও ঘটনাকে নতুন করে যুক্ত করা হচ্ছে।

এছাড়া নতুন বইয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকার বিষয়টিও যুক্ত হচ্ছে। বিশেষ করে গণঅভ্যুত্থানের পর সংসদীয় গণতন্ত্রে উত্তরণ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার ভূমিকা নতুন বইয়ে আলাদাভাবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অষ্টম ও নবম শ্রেণির বইয়ে এ-সংক্রান্ত বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এর পাশাপাশি ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহও নতুন পাঠ্যবইয়ে জায়গা পাচ্ছে। বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো যে দিনটিকে ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে, সেই দিনের রাজনৈতিক ও সামরিক প্রেক্ষাপট এবার পাঠ্যবইয়ের ইতিহাস অংশে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে ঘটনাটির প্রেক্ষাপট ও ধারাবাহিকতা শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

নতুন বইয়ে সাম্প্রতিক বাংলাদেশের ইতিহাসও যুক্ত হচ্ছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ এবং এর পরবর্তী প্রভাব পাঠ্যবইয়ে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন বইয়ে স্বাধীনতার পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন ঘটনার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ের বিষয়াবলিও স্থান পেতে যাচ্ছে।

তবে এসব ইতিহাস যাতে নির্মোহভাবে উপস্থাপিত হয় এবং কোনো ধরনের ভুল-ভ্রান্তি বা অসংগতি না থাকে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে জানিয়ে এনসিটিবির সদস্য (কারিকুলাম) প্রফেসর ড. শওকত বলেন, শিক্ষার্থীদের সামনে বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস নির্মোহভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যেই পাঠ্যবইয়ে ব্যাপক পরিমার্জনের কাজ করা হয়েছে। ইতিহাসের যেসব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বিভিন্ন সময়ে যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি বা আংশিকভাবে এসেছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন ও সংশোধন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাসের ধারাবাহিকতা যাতে শিক্ষার্থীরা যথাযথভাবে জানতে পারে, সে বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি বইয়ের বিষয়বস্তু, তথ্যের যথার্থতা ও ছাপার মান নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এবারের বইয়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন, সংশোধন ও নতুন বিষয় সংযোজন করা হয়েছে। বিশেষ করে ইতিহাস ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো যেন তথ্য ও প্রামাণ্য সূত্রের ভিত্তিতে নির্মোহভাবে উপস্থাপন করা হয়, সে বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। নবম-দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ যুক্ত করাও এই পরিমার্জনের অংশএনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মাহমুদ ফখরুল মাওলা

তিনি বলেন, এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাসসহ বিভিন্ন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের ভূমিকা তথ্য ও প্রামাণ্য সূত্রের ভিত্তিতে নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা দলের দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে নয়, বরং নির্মোহভাবে প্রকৃত ইতিহাস শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এনসিটিবি এসব কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে পরিচালনা করছে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ৩০ কোটি ৯২ লাখ বই ছাপছে এনসিটিবি

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ পুরোদমে চলছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (টেক্সট) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু। ঢাকা পোস্টকে তিনি বলেন, পুরোদমে কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বই পৌঁছে দেওয়া হবে। এবার পহেলা জানুয়ারি সব বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি।

এদিকে এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, মাধ্যমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি বই ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য ছাপা হবে ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি বই। ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য প্রায় ১৮ কোটি বই ছাপানো হবে।

মাধ্যমিক পর্যায়ের মধ্যে নবম শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ শ্রেণির জন্য ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ হাজার ৪ কপি ব্রেইল বই ছাপানো হবে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে কয়েকটি নতুন বিষয়ও যুক্ত হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণিতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ বিষয়ের বই ছাপানো হবে। নতুন বিষয়গুলোর বইসহ সংশোধিত ও পরিমার্জিত অন্যান্য বইও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছাপিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এনসিটিবি সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার পাঠ্যবই ছাপাতে সরকারের ব্যয় হবে ১ হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান প্রফেসর মাহমুদ ফখরুল মাওলা ঢাকা পোস্টকে বলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই নির্ধারিত সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি বইয়ের বিষয়বস্তু, তথ্যের যথার্থতা ও ছাপার মান নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এবারের বইয়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন, সংশোধন ও নতুন বিষয় সংযোজন করা হয়েছে। বিশেষ করে ইতিহাস ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো যেন তথ্য ও প্রামাণ্য সূত্রের ভিত্তিতে নির্মোহভাবে উপস্থাপন করা হয়, সে বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। নবম-দশম শ্রেণির বাংলা বইয়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লেখা ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ যুক্ত করাও এই পরিমার্জনের অংশ।

তিনি বলেন, পাঠ্যবই শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও চিন্তাভাবনা গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। তাই বিষয়বস্তুর মান, ভাষার সহজবোধ্যতা ও শিক্ষার্থীদের উপযোগিতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিপুলসংখ্যক বই ছাপানো ও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সময়মতো পৌঁছে দেওয়ার কাজও এগিয়ে চলছে। আমরা আশা করছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বই ছাপানো ও সরবরাহের কাজ শেষ করে নতুন বছরের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

ShareSend

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

শপিং জোন বিডির ৮২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি

শপিং জোন বিডির ৮২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি

মীনা বাজারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৩০ হাজার

মীনা বাজারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৩০ হাজার

২৫ কোটি বাজেটে ৩১০ কোটি আয়, ইতিহাস গড়ল ‘অসম প্রেমের’ সিনেমাটি

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার নিয়ে ফ্রা‌ন্সের সঙ্গে আলোচনা

আগস্টে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড

সাম্প্রতিক জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি : বিজিএমইএ সভাপতি

সর্বশেষ সংবাদ

শপিং জোন বিডির ৮২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি

শপিং জোন বিডির ৮২ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকি

মীনা বাজারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৩০ হাজার

মীনা বাজারে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৩০ হাজার

২৫ কোটি বাজেটে ৩১০ কোটি আয়, ইতিহাস গড়ল ‘অসম প্রেমের’ সিনেমাটি

২৫ কোটি বাজেটে ৩১০ কোটি আয়, ইতিহাস গড়ল ‘অসম প্রেমের’ সিনেমাটি

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার নিয়ে ফ্রা‌ন্সের সঙ্গে আলোচনা

বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার নিয়ে ফ্রা‌ন্সের সঙ্গে আলোচনা

আগস্টে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড

আগস্টে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড

আগস্টে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ ১৩ হাজার কোটি টাকা

আগস্টে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ ১৩ হাজার কোটি টাকা

Load More

Advisor: Md. Tofazzal Hossain
Editor: Md. Sharif Hossain

Office: House 23, Road 01, Sector 12, Uttara, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +88 01716198920, Email: kalerpatrika@gmail.com

Facebook Youtube Linkedin X-twitter Whatsapp

Copyright © 2026 Kaler Patrika, All rights reserved

No Result
View All Result
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস

Press Release: kalerpatrika@gmail.com