Kaler Patrika
ঢাকা,
|
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
YouTube
Fcaebook
Kaler Patrika
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
Kaler Patrika
No Result
View All Result

চীন কেন বিপুল পরিমাণে সোনা কিনছে? কাহিনী কী?

Kaler Patrikabyস্টাফ রিপোর্টার
October 21, 2026- 11:24 am
in মতামত
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ

নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনতে এবং মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে টানা ২৩ মাস ধরে সোনা কিনছে চীন।

গত সেপ্টেম্বর মাসে চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না (পিবিওসি) তাদের সোনার মজুত বাড়িয়েছে ৭ লাখ ৪০ হাজার আউন্স। আগস্টে এই পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার আউন্স। এতে চীনের মোট সোনার মজুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ ৭০ হাজার আউন্সে। অর্থাৎ প্রায় ২ হাজার ৪০৯ দশমিক ৫৯ টন।

তবে শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকই নয়, চীনের বাজারেও সোনার চাহিদা বাড়ছে। ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে দেশটি ১ হাজার টনের বেশি সোনা আমদানি করেছে। এর মূল্য ১৫ হাজার ৮৮০ কোটি ডলার। অথচ ২০২৫ সালের পুরো বছরে চীন ৮৮৬ টন সোনা আমদানি করেছিল, যার মূল্য ছিল ৯ হাজার ৬৫০ কোটি ডলার।

চীন কেন সোনা কিনছে?

‘সোনা যার হাতে, নিয়মও তার হাতে’—চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ঝিহুতে প্রকাশিত একটি পোস্টে এমন মন্তব্য করা হয়েছে। কথাটি বাস্তবতার তুলনায় কিছুটা অতিরঞ্জিত হলেও চীনের কয়েকজন বিশ্লেষকের কাছে সোনার কৌশলগত গুরুত্ব কতটা বেড়েছে, তা বোঝা যায়। বর্তমানে চীনের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রায় ৯ শতাংশ সোনা।

জিনরুই ফিউচার্সের বিশ্লেষক উ জিজিয়ে বলেন, চীনের মুদ্রা ইউয়ানের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে আমদানি খরচ কমেছে। একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো সোনা আমদানির কোটা শিথিল করার সুযোগ পেয়েছে।

পিকটে ওয়েলথ ম্যানেজমেন্টের এশিয়া অঞ্চলের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা ঝেং ওয়াংছিংয়ের মতে, চীনের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার কারণে বিদেশে সম্পদ কেনার সক্ষমতা বেড়েছে। বেইজিং যখন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ কমাচ্ছে, তখন বিকল্প সম্পদ হিসেবে সোনাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ঝেং আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর সেখানকার কিছু সভেরেন্ট ওয়েলথ ফান্ড সোনা বিক্রি করেছে। চীনের বাড়তি চাহিদা সেই সোনার বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করছে।

চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে জাতীয়তাবাদী বক্তব্যও দেখা যাচ্ছে। ওয়েইবোতে প্রকাশিত একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, চীনের সবচেয়ে ধনী ১০ কোটি মানুষ প্রত্যেকে ৮০ হাজার ইউয়ান করে দিলে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হাতে থাকা সব সোনা কিনে নেওয়া সম্ভব।

ইউয়ানকে কি বৈশ্বিক মুদ্রা করতে চায় চীন?

চীনের সোনা কেনার পেছনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য দেখছেন দেশটির কয়েকজন বিশ্লেষক। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে বেইজিংয়ের।

এ পরিকল্পনা শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনার মজুত বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে হংকংয়ের সোনা সংরক্ষণ ও বাণিজ্যব্যবস্থা এবং বিদেশের খনিতে চীনা কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ।

লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সোনার খনি কিনে চীনা কোম্পানিগুলো সরাসরি উৎপাদনস্থল থেকে সোনা সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছে। অন্যদিকে, হংকংয়ের বিকাশমান সোনার বাজারের মাধ্যমে সেই সোনা সংরক্ষণ, কেনাবেচা ও লেনদেন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। এর ফলে সোনার বৈশ্বিক বাণিজ্যে চীনের প্রভাব আরও বাড়তে পারে।

গুওতাই জুনান ইন্টারন্যাশনালের প্রধান অর্থনীতিবিদ ঝৌ হাও বলেন, টানা ২৩ মাস সোনা কেনার ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগের প্রতি আস্থা শক্তিশালী হয়েছে। একই সঙ্গে ডলারে রাখা রিজার্ভের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

নানহুয়া ফিউচার্সের মূল্যবান ধাতু ও নতুন জ্বালানি গবেষণা দলের প্রধান সিয়া ইংইং বিষয়টিকে আরও বিস্তৃতভাবে দেখছেন। তাঁর মতে, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোনার মজুত বাড়ালে রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের একচ্ছত্র সুবিধা দুর্বল হতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক নীতি, ঋণ এবং নিষেধাজ্ঞা ব্যবহারের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে পারে।

ইউয়ানে সোনার বাণিজ্য বাড়ানোর এই উদ্যোগে হংকং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংসের একটি প্রতিবেদনে চীনের অভ্যন্তরীণ সোনার বাজারের সঙ্গে বিদেশের বাজারগুলোকে যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।

এই নেটওয়ার্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সাংহাই গোল্ড এক্সচেঞ্জের হংকংয়ের অফশোর গুদাম এবং ইউয়ানে মূল্য নির্ধারিত সোনার চুক্তি। ভবিষ্যতে এই নেটওয়ার্ক সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, দুবাই, রিয়াদ ও মস্কো পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।

চীনা বিশ্লেষকদের মতে, এ উদ্যোগের বাস্তব সুবিধাও রয়েছে। বিদেশি ক্রেতারা যদি ইউয়ান ব্যবহার করে হংকং থেকে সোনা কিনতে এবং তা বুঝে নিতে পারেন, তাহলে তাঁদের ইউয়ান সংগ্রহ ও নিজেদের কাছে রাখার আগ্রহ বাড়তে পারে। এতে ব্যাংক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আন্তর্জাতিক লেনদেনেও ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।

অবশ্য শুধু সোনার বাণিজ্য বাড়ালেই ইউয়ান বৈশ্বিক মুদ্রায় পরিণত হবে না। তবে এর মাধ্যমে চীনের বাইরে মুদ্রাটির ব্যবহার সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

ডলারের আধিপত্য কি কমাতে পারবে চীন?

চীনের সোনা কেনার এই প্রবণতা বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের প্রভাব কমানো বা ‘ডলারমুক্তকরণ’ নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। তবে সোনা কেনার সঙ্গে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর সম্পর্ক ঠিক কতটা, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

চীন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ কমিয়েছে এবং একই সময়ে সোনার মজুত বাড়িয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে দেশটি ডলারে বিনিয়োগ পুরোপুরি বন্ধ করে দিচ্ছে। চীনা বিনিয়োগকারীরা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল ঋণ এবং দীর্ঘদিন ধরে বাজেট ঘাটতি চলতে থাকায় ডলারের দীর্ঘমেয়াদি শক্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় ডলারের প্রভাব এখনো অত্যন্ত শক্তিশালী।

ঝিহুতে এক ব্যবহারকারীর মতে, সোনার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো—এর মূল্য কোনো একটি সরকারের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বা ঋণযোগ্যতার ওপর নির্ভরশীল নয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, সোনা কেনার প্রধান উদ্দেশ্য ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ানো নয়; বরং আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

রংই ফাইন্যান্স ছদ্মনামে লেখেন এমন একজন বিশ্লেষকও প্রায় একই কথা বলেছেন। তাঁর মতে, সোনার মজুত বাড়লে একটি দেশের আর্থিক সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়তে পারে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে ইউয়ানের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে চীনের বাজারের প্রতি আস্থা এবং ইউয়ানকে সহজে অন্য মুদ্রায় রূপান্তর, ধরে রাখা ও বিনিয়োগ করার সুযোগের ওপর।

চীনের সোনা কেনার কৌশল নিয়ে তিনটি মত

চীনে এ নিয়ে মূলত তিন ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।

প্রথমত, কেউ কেউ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ, নিষেধাজ্ঞা এবং ডলারের আধিপত্যের ঝুঁকি মোকাবিলায় সোনা একটি নিরাপদ সম্পদ।

দ্বিতীয়ত, হংকংয়ের সোনার বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক লেনদেনে ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন অনেকে।

তৃতীয়ত, একদল বিশ্লেষকের মতে, কোনো সরকারের ঋণযোগ্যতার ওপর নির্ভর না করাই সোনার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য। তাই আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলায় সোনার মজুত বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।

আপাতত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বৈচিত্র্য আনা এবং তা আরও শক্তিশালী করাই চীনের সোনা কেনার প্রধান উদ্দেশ্য। তবে সময়ের সঙ্গে হংকংয়ের সোনার বাজার সম্প্রসারণের ফলে আন্তর্জাতিক লেনদেনে ইউয়ানের ব্যবহার বাড়তে পারে। যদিও শুধু সোনার বাজারের ওপর ভর করে বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের কেন্দ্রীয় অবস্থান সরিয়ে দেওয়া কঠিন।

ShareSend

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

বিশ্বকাপ না জিতলেও ফুটবল দুনিয়ার সেরা মুকুট এখন হ্যারি কেইনের

বিশ্বকাপ না জিতলেও ফুটবল দুনিয়ার সেরা মুকুট এখন হ্যারি কেইনের

অস্থির বিশ্বকে স্থিতিশীল করার পথ কোথায়?

অস্থির বিশ্বকে স্থিতিশীল করার পথ কোথায়?

টাইফুন ‘চাম্পির’ তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড তাইওয়ান, অগ্রসর হচ্ছে চীনের দিকে

অপরাধের নৃতত্ত্ব ও মনস্তত্ত্ব

হুথি-সৌদি আরব সংঘাত : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন শঙ্কা

জলবায়ু কূটনীতি, ঋণ ও ন্যায়বিচার : বাংলাদেশের করণীয়

সর্বশেষ সংবাদ

গুরুদাসপুর থানার পরিদর্শক প্রত্যাহার, এমপিপুত্রকে যুবদল থেকে বহিষ্কার

গুরুদাসপুর থানার পরিদর্শক প্রত্যাহার, এমপিপুত্রকে যুবদল থেকে বহিষ্কার

লক্ষ্মীপুরে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

লক্ষ্মীপুরে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

আলভারেজকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টায় ৬০২ ইউরো জরিমানা বার্সেলোনার

আলভারেজকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টায় ৬০২ ইউরো জরিমানা বার্সেলোনার

ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পাই

ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পাই

বিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাশ করেছিল আ.লীগ: রিজভী

বিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাশ করেছিল আ.লীগ: রিজভী

বড় ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকিতে শাহজালাল বিমানবন্দর

বড় ধরনের নিরাপত্তাঝুঁকিতে শাহজালাল বিমানবন্দর

Load More

Advisor: Md. Tofazzal Hossain
Editor: Md. Sharif Hossain

Office: House 23, Road 01, Sector 12, Uttara, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +88 01716198920, Email: kalerpatrika@gmail.com

Facebook Youtube Linkedin X-twitter Whatsapp

Copyright © 2026 Kaler Patrika, All rights reserved

No Result
View All Result
  • দেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস

Press Release: kalerpatrika@gmail.com