Kaler Patrika
ঢাকা, ভোর ৫:২৪
সোমবার | ১২ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৮শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৩শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শীতকাল
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
Kaler Patrika
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস
No Result
View All Result
Kaler Patrika
No Result
View All Result

বহু কাজের উদ্ভিদ তুঁত বা ব্লাকবেরি

Mst Nurjahan Khatun BristybyMst Nurjahan Khatun Bristy
জুলাই ৩১, ২০২৫
in পরিবেশ
Reading Time: 1 min read
A A
ফেসবুকহোয়াটসঅ্যাপ
বহু কাজের উদ্ভিদ তুঁত বা ব্লাকবেরি
বহু কাজের উদ্ভিদ তুঁত বা ব্লাকবেরি

তুঁত গাছের পাতা প্রাথমিক ভাবে রেশম পোকাকে খাওয়ানোর জন্য ব্যবহার করা হত। এটির ঔষধি গুনাগুন সম্পর্কে বলে শেষ করা যাবেনা। তুঁত গাছের বোটানিকাল নাম Morus alba হিসাবে পরিচিত। বৈজ্ঞানিক নাম: Morusnigra/Morus rubra. Moras indika. তুঁতের কয়েকটা প্রধান ঔষধি ব্যবহার হল – রক্তের টোনিক তৈরি, মাথা ঘোরা, কোষ্ঠকাঠিন্য, টিনিটাস, মূত্রথলিজনিত সমস্যার সমাধান ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়।

এর আদিবাস চীনে। ভারত, বাংলাদেশ, এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে তুঁতফলের চাষ হয়ে থাকে। মুলত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তুঁতের চাষ হয়, বিশেষ করে রাজশাহীতে বেশি চাষ হয় কারন সেখানে বাংলাদেশ রেশম চাষ উন্নয়ন বোর্ড অবস্থিত। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য অঞ্চল হল নাটোর। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মাটিতে হওয়া তুঁতফল বেশি সুস্বাদু।

তুঁত ফলের জুস, জ্যাম জেলি হয়। তুঁত ফলের জুস খুবই সুস্বাদু । জুসটি কোরিয়া, জাপান ও চায়নায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। এটি একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ, যার গড় উচ্চতা ৪০-৬০ ফুট হয়। এর ফুলগুলি খুব নিখুঁতভাবে সাজানো। যা পরবর্তীতে বেগুনি কালো রঙের ফল দেয়। তুঁত ফল দেখতে অসম্ভব সুন্দর। বসন্তের শুরুতে গাছে নতুন পাতা আসে। যে কোন ছোট টব বা পাত্র এমন কি পলিব্যাগে লাগালেও গাছ সুন্দর বেড়ে উঠে, যেন শুধু ফল দেয়ার জন্যই তার জন্ম। সারা বছরই ফল দেয়। অল্প দিনের মধ্যেই ফল পাকে। পাকা ফল রসালো এবং টক-মিষ্টি ।

তুঁত গাছের কাণ্ড থেকে উৎপন্ন মঞ্জরী দণ্ডের ছোট ছোট ফুলগুলি ঘন হয়ে ফুটে থাকে। পুরুষ ও স্ত্রী ফুল আলাদা। এক সময় গ্রামে প্রচুর তুঁত গাছ দেখা যেতো। তুঁত গাছের পাতা রেশম পোকার মথকে খাওয়ানো হয়, যার লালা থেকে রেশম তৈরি হয়। রেশম পোকার তৈরি বাসা বা গুটি নানাভাবে প্রক্রিয়া শেষে তা থেকে তৈরি হয় রেশমি সুতা। এই সুতায় তৈরি হয় সিল্ক বা রেশমি কাপড়। বাংলাদেশে তুঁত কখনও ফলের জন্য চাষ করা হয় না।

রাজশাহী, নাটোর, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, ময়মনসিংহ, দিনাজপুর, সিলেটে রেশম পোকার খাদ্যের জন্যই তুঁত গাছের চাষ হয়ে থাকে। তুঁত গাছের পাতা ডিম্বাকার, চমৎকার খাঁজযুক্ত এবং অগ্রভাগ সুঁচালো। ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে ফুল আসে এবং মার্চ-এপ্রিলেই ফল পাকে। তুঁত ফল প্রথম অবস্থায় সবুজ, পরে লাল এবং সম্পূর্ণ পাকলে কালো রং ধারণ করে।

এই তুঁত বা মালবেরিকে ‘ব্ল্যাক বেরি’ বলে চড়া দামে চারা বিক্রি করা হয়। এখন অনেক বাসার ছাদেও শোভা পাচ্ছে তুঁত গাছ। শালিক, টিয়া, বুলবুলি, টুনটুনি ও অনেক পাখিরই খুব প্রিয় ফল তুঁত।

তুঁত ফলের ঔষধি গুন
এই ফলের বেশ কিছু ঔষধি গুণও রয়েছে। যেমন- পাকা ফলের রস বায়ু, পিত্ত, কফ ও জ্বরনাশক। তুঁত গাছের ছাল ও শেকড়ের রস কৃমিনাশক। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য পাকা তুঁতফল বেশ উপকারী। অবশ্য বেশি খেলে ডায়রিয়া হতে পারে।

ক্যানসার প্রতিরোধী ফল তুঁত। এই ফল এবং গাছের পাতা ও শেকড়ের স্যাকারাইড মানবদেহে রক্তে শর্করা কমিয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় আনতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে তুঁতের নতুন যে জাত আনা হয়েছে তাতে ছোট অবস্থাতেই ফল ধরে এবং সারাবছর ফলন হয়।

তুঁত গাছের ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য
তুঁত গাছের বাকল দিয়ে প্রাচীনকালে কাগজ তৈরি হতো। পাতা, ফল ও কাঠের বিবেচনায় তিনটি ভ্যারাইটি আছে তুঁতের। রেশম পোকার খাদ্য হিসেবে পাতার জন্য যে গাছের চাষ হয় তার কাণ্ড খুবই নরম। বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুযায়ী আশ্বিন-কার্তিক মাস তুঁত গাছ লাগানোর উপযুক্ত সময়। প্রধানত জুলাই – আগস্ট মাসে তুঁত রোপণ করা হয়। গাছ লাগানোর জন্য নার্সারিকে জুন মাসে – জুলাই মাসে ভালভাবে প্রস্তুত করতে হয়।

বিভিন্ন প্রকার মাটিতে তুঁত গাছ জন্মাতে পারে। দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটিতে তুঁত গাছ খুব ভালো জন্মে। এছাড়া উঁচু ও সমতল জমিতেও তুঁত চাষ ভালো হয়। উদ্ভিদের ভাল বিকাশের জন্য মাটির ৬.২-৬.৮ থেকে পিএইচ প্রয়োজন। আবহাওয়া ও উর্বর মাটির জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সবচেয়ে বেশি তুঁত চাষ হয়।

তুঁত রোপণের জন্য, ভালভাবে মাটি প্রস্তুত করা প্রয়োজন। প্রথমে জমি থেকে আগাছা ও পাথর সরিয়ে ফেলতে হবে এবং মাটিকে ভাল স্তরে আনতে গভীরভাবে লাঙ্গল দিয়ে চাষ করা উচিত।

যখন গাছের ফলগুলো গাড় লাল থেকে বেগুনি লাল হবে তখন তুঁত গাছের ফসল তুলতে হবে। সকালবেলা ফসল তোলার উপযুক্ত সময়। ফসল তোলা মূলত হাতের মাধ্যমে বা কাঁপানো পদ্ধতিতে করা হয়। কাঁপানো পদ্ধতিতে গাছের নীচে সুতি বা প্লাস্টিকের শীট রেখে গাছটি কাঁপানো হয়। প্রায় সমস্ত পাকা তুঁতিতে তুলা বা প্লাস্টিকের শীটে ঝরে পড়ে যাবে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াজাতকরণ জন্য পাকা ফল ব্যবহার করা হয়।

রেশম শিল্পে তুঁত গাছ
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সাদা তুঁত, কালো তুঁত ও লাল তুঁত- এই তিন প্রজাতির গাছের ওপর নির্ভর করে রেশম পোকার চাষ করা হয়। সাদা তুঁত গাছই রেশম পোকার সবচেয়ে পছন্দের। তুঁত গাছ একবার লাগালে ২০-২৫ বছর ধরে পাতা দেয়। গাছের উচ্চতা ৬ ফুট হলেই কেটে দিতে হয় যেন গাছে পাতা বেশি হয়। বিভিন্ন উচ্চতায় ছেঁটে দিয়ে তুঁত গাছকে ‘ঝুপি’, ‘ঝাড়’ ও ‘গাছ তুঁত’ আকার দেয়া যায়।

বীজ থেকে তুঁত গাছের চারা হয়। তবে আমাদের দেশে কলম করে এবং কাটিং করে তুঁত গাছের চারা তৈরি করা হয়। প্রতি বিঘা ‘ঝুপি’ তুঁত থেকে ১০০-১২০ মণ পাতা পাওয়া যায় এবং এই পাতা থেকে বছরে ১৪৯-১৮৬ কেজি রেশম গুটি উৎপন্ন করা যায়। সাধারণত একটি তুঁত গাছের জন্য একটি ডিম প্রয়োজন।

ডিম হতে পুল রেশম পোকা বের হওয়ার ২৫ দিনের মধ্যে গুটি তৈরি করে এবং ২৫ দিন পর্যন্ত পুল পাতা খেতে থাকে। একটি রেশম মথ থেকে ৫০০ রেশম পোকা জন্ম নিয়ে গুটি তৈরি করে। ফলে ১ কেজি ভালো মানের গুটি পেতে হলে ৬০০-৭০০টি ভালো মানের রেশম পোকার প্রয়োজন। প্রতি কেজি গুটি ২৩০-২৪০ টাকা দরে বর্তমানে সূতা কোম্পানির কাছে বিক্রি করা হয়।

তুঁত গাছ থেকে উন্নত মানের রেশম গুটি সংগ্রহ করতে চাইলে এই গাছের সেচ ব্যবস্থার দিকে নজর দিতে হবে। বর্ষা মৌসুমে উপযুক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পরিমাণে সঠিক উপায়ে সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।তুঁত গাছ আমাদের রেশম শিল্পের জন্য অপরিহার্য।

Tags: তুঁত ফলের ঔষধি গুন
ShareSend

এই ক্যাটাগরির অন্য সংবাদ

মাছ চাষের আগে যেসব বিষয় জানা জরুরী

মাছ চাষের আগে যেসব বিষয় জানা জরুরী

ধানে ফুল: এসময় কৃষকদের করণীয়

ধানে ফুল: এসময় কৃষকদের করণীয়

প্লাস্টিকের বোতলে বাগান তৈরি

চাষ করুন বেলি ফুল

দেশি পুঁটি, পুকুরে চাষ করবেন যেভাবে

আগাছা নিয়ন্ত্রণের সহজ উপায়

ফুলকপি চাষ পদ্ধতি

অসময়ে ঘেরের মাচায় ঝুলছে তরমুজ সফল বটিয়াঘাটার কৃষক

বেগুন চাষের আধুনিক পদ্ধতি

লেবু চাষে রোগবালাই ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা

সর্বশেষ সংবাদ

সড়কের পাশে উদ্ধার হওয়া শিশুটির পাশে দাঁড়াল ‘স্বপ্ন’

সড়কের পাশে উদ্ধার হওয়া শিশুটির পাশে দাঁড়াল ‘স্বপ্ন’

kaler patrika

কুয়াশা পড়লে ঠান্ডা বাড়ে নাকি কমে?

কঞ্চিপাড়ার বেলাল হোসেনের ‘চমক’

কঞ্চিপাড়ার বেলাল হোসেনের ‘চমক’

সারাদেশে শীত, শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৭ জেলা

‘চারে নামতে পারে’ তাপমাত্রা, কাল থেকে শীত বাড়ার আভাস

দক্ষিণাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে বাড়ছে তরমুজ চাষ, শক্তিশালী অর্থনীতির ধারা

দক্ষিণাঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে বাড়ছে তরমুজ চাষ, শক্তিশালী অর্থনীতির ধারা

সারাদেশে শীত, শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৭ জেলা

সারাদেশে শীত, শৈত্যপ্রবাহের কবলে ৭ জেলা

Load More

Advisor: Md. Tofazzal Hossain
Editor: Md. Sharif Hossain

Office: House 23, Road 01, Sector 12, Uttara, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +8801716198920, Email: kalaerpatrika@gmail.com

Facebook Youtube Linkedin X-twitter
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact
  • Home
  • About
  • Advertisement
  • Bangla Converter
  • Career
  • Privacy Policy
  • Contact

Copyright © 2025 Kaler Patrika, All rights reserved | Development & Maintenance By: </> Hur Agency

No Result
View All Result
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • খেলা
  • জলবায়ু
  • নির্বাচন
  • অন্যান্য
    • প্রযুক্তি
    • কূটনীতি
    • প্রবাস
    • মফস্বল
    • পর্যটন
    • ধর্মীয়
    • বিনোদন
    • পরিবেশ
    • কৃষি
    • সাহিত্য
    • মতামত
    • সাক্ষাৎকার
    • লিড নিউজ
    • ফোকাস
    • হাইলাইটস

Press Release: kalerpatrika@gmail.com