
নৈতিক সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতা দেখা দিতে পারে। এতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং যাতায়াত ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সতর্কবার্তায় ঢাকায় সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকির কথাও বলা হয়েছে। হোটেল, উপাসনালয় এবং পর্যটন কেন্দ্রের মতো জনবহুল স্থানে আগে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়। বিদেশি নারীদের রাতে একা চলাচল না করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে। বাংলাদেশে টাইফয়েড, হেপাটাইটিস এবং ডেঙ্গুর মতো রোগের উচ্চ ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যবস্থাও অপ্রতুল বলে জানানো হয়। গুরুতর অসুস্থতায় সিঙ্গাপুর বা থাইল্যান্ডে রোগী স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে বলেও জানানো হয়।
বাংলাদেশের কঠোর স্থানীয় আইনের কথাও তুলে ধরা হয় সতর্কবার্তায়। মাদক অপরাধে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড। মুসলিমদের জন্য মদ্যপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সরকারি স্থাপনার ছবি তোলাও নিষিদ্ধ বলে জানানো হয়।







