
কৃষক তফসিয়ার রহমান জানান, ‘আইস বল’ নামক আগাম জাতের ফুলকপি চলতি বছরের মে মাসে আবাদ শুরু করেন। এই ফুলকপি বছরে প্রায় দুইবার চাষ করা যায়। প্রতি চাষে ফলন পেতে সময় লাগে তিন মাস। বর্তমানে তার ক্ষেতের ফুলকপি বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠেছে। মাঠ থেকেই তিনি প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি করছেন ৮০ থেকে ৯০ টাকা। বিঘা প্রতি এ আগাম জাতের ফুলকপি চাষে কৃষক তফসিয়ার রহমানের খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। লাভ হচ্ছে প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা।
কৃষক তফসিয়ার রহমানের মতো সবজির ‘রাজধানীখ্যাত’ পুরো যশোর জেলায় এবার কয়েক হাজার কৃষক আগাম শীতকালীন সবজির চাষ করেছেন। এরমধ্যে কোনো কোনো কৃষক এরইমধ্যে পরিপূর্ণ ফলন পেয়েছেন, আবার অনেক কৃষক বীজবপণ বা পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। আগাম জাতের চাষ করা এসব সবজির মধ্যে রয়েছে ফুলকপিসহ বাঁধাকপি, বেগুন, বরবটি ইত্যাদি। অনেকে টমেটোর বীজও বপণ করেছেন।
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, যশোর জেলায় এবার খরিপ মৌসুমে ১৪ হাজার ২২০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষ হয়েছে। যা এরইমধ্যে বাজারে বিক্রিও হচ্ছে। এছাড়া চলতি বছর শীতকালীন আগাম জাতের সবজি চাষ নিয়ে কৃষি অফিসের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১৮ হাজার হেক্টর জমি। এরইমধ্যে প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন আগাম জাতের সবজির বীজবপণ এবং ফলন হয়েছে। তবে কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, এ বছর তারা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ হাজার হেক্টর বেশি জমি অর্থাৎ ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন আগাম জাতের সবজির চাষাবাদ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন







