
বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, প্রযোজক ও ‘মানবতাবাদী’ জয়া আহসান মর্যাদাপূর্ণ ‘গার্ডিয়ান অব দ্য আর্থ’ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ অর্জন করেছেন।
সম্মাননাটি তার হাতে তুলে দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনেই দারুসসালামের হাইকমিশনার হি. ই. হাজি হারিস বিন হাজি ওসমান এবং গ্লোবাল ল’ থিংকার্স সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি রাওমান স্মিতা।
পুরস্কারটি প্রদান করেছে গ্লোবাল ল’ থিংকার্স সোসাইটি (জিএলটিএস) এবং ইউনাইটেড রিলিজিয়ন্স ইনিশিয়েটিভ (ইউআরাই)— দুটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, যারা মানবতা, শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য একযোগে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ২৪–২৭ অক্টোবর ২০২৫, ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হল, ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে।
জয়া আহসান ‘আর্ট, মিডিয়া ও ক্রিয়েটিভ অ্যাডভোকেসি’ ক্যাটাগরিতে, শিল্প, মানবতা, প্রাণী ও পরিবেশের প্রতি তার নিবেদিতপ্রাণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্রুনেই দারুসসালামের হাইকমিশনার হি. ই. হাজি হারিস বিন হাজি ওসমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের
যুগ্ম সচিব ড. এ. টি. এম. মাহবুব-উল করিমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কারের তাৎপর্য:
‘গার্ডিয়ান অব দ্য আর্থ’ একটি বৈশ্বিক আন্দোলন, যা পরিবেশ, শান্তি ও মানবিকতার জন্য কাজ করে। এটি শুধুমাত্র একটি পুরস্কার নয়, এটি এক মানবিক ঐক্যের প্রতীক, যা এক দয়ালু ও সহমর্মিতাপূর্ণ পৃথিবী গড়ার আহ্বান জানায়।

আন্দোলনের মূল দর্শন:
‘একজন দয়ালু মানুষ কখনও পৃথিবী ধ্বংস করতে পারে না; সে নিজেই পৃথিবীর অভিভাবক হয়ে তাকে রক্ষা করে।’
গার্ডিয়ান অব দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ড প্রতি বছর এমন ব্যক্তিত্বদের দেওয়া হয় যারা মানবতা, পরিবেশ ও শান্তির জন্য অসামান্য অবদান রাখেন।
জয়া আহসান তার সৃজনশীলতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সচেতনতায় নতুন প্রজন্মের জন্য হয়ে উঠেছেন অনুপ্রেরণা।
গ্লোবাল ল’ থিংকার্স সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি রাওমান স্মিতা বলেন,’জয়া আহসান এমন এক শিল্পী যিনি শিল্পকে মানবতার সেবায় ব্যবহার করেছেন। তার ভালোবাসা ও সচেতনতা আমাদের পৃথিবীকে আরও টেকসই ও সহানুভূতিশীল করে তোলে।’
‘গার্ডিয়ান অব দ্য আর্থ শুধু একজন মানুষকে সম্মান জানায় না, বরং এক মূল্যবোধকে প্রতিষ্ঠা করে, যেখানে দয়া ও নৈতিকতা পৃথিবী রক্ষার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র’, বলে মনে করেন স্মিতা।
জয়া আহসানের প্রতিক্রিয়া:
পুরস্কার গ্রহণের পর জয়া আহসান বলেন, ‘এই সম্মান আমার জন্য এক অনুপ্রেরণা। আমি শিল্পের মাধ্যমে মানুষ, প্রাণী ও প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই।’






